1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সোয়াল বিদায়ের সুরে জাতিসংঘ প্রধান গুতেরেস, আলোচনায় গাজা উপত্যকা, এআই ও নিরাপত্তা পরিষদ রাতে ঘরে ঘুমিয়েছিল মাদ্রাসাছাত্র, সকালে ধান ক্ষেতের পাশে মরদেহ যাদের কাছে ধানের শীষে ভোট চেয়েছি, তাদের কাছে মাফ চাই’ পোস্ট দেয়া ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সফল করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান শাহ ফরিদ আহমেদের ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ জ্বালানি নিয়ে পোস্ট করায় পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ঝোপে মিলল ৮ বছরের শিশুর মরদেহ ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই জ্বালানি তেলের দাম কমলো বিশ্ববাজারে…

বিরোধীরাও বন্ড পেয়েছে, এটা কি চাঁদাবাজি: রাহুল গান্ধীকে অমিত শাহ

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১০০ জন দেখেছেন

বাতিল করা নির্বাচনী বন্ড ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের জবাবে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, বিরোধী দলগুলোও তো বন্ডের মাধ্যমে অনুদান পেয়েছেন। এগুলোকে কি ‘চাঁদাবাজি’ বলা যাবে?

এনডিটিভি-তে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অমিত শাহ এ কথা বলেন।

এর আগে রাহুল বলেছিলেন, নির্বাচনী বন্ড ব্যবস্থা ‘বিশ্বের বৃহত্তম চাঁদাবাজি প্রকল্প’। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন’।

 

রাহুলের মন্তব্যের সমালোচনা করে অমিত শাহ বলেন, ‘তাদের দলগুলোও বন্ডের মাধ্যমে অনুদান পেয়েছে। এটাও কি চাঁদাবাজি? রাহুল গান্ধীকে অবশ্যই জনগণকে বলতে হবে, হ্যাঁ, আমরাও চাঁদাবাজি করেছি। আর এমপিদের সংখ্যার অনুপাতে আমরা যে পরিমাণ অনুদান পেয়েছি তারা এর থেকেও বেশি পেয়েছে। তাই তারা বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, কিন্তু সফল হবে না।’

১৫ ফেব্রুয়ারি একটি যুগান্তকারী রায়ে সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের তথ্যের অধিকার লঙ্ঘনের ভিত্তিতে নির্বাচনী বন্ড প্রকল্প বাতিল করে দেয়। ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, এই স্কিমটি অসাংবিধানিক ও স্বেচ্ছাচারী ছিল। এটি রাজনৈতিক দল ও দাতাদের মধ্যে একটি সমঝোতার মাধ্যম।

 

পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ রায়ে বলেছিলেন, কালো টাকা সাদা করা এবং দাতাদের গোপনীয়তা বজায় রাখার উদ্দেশ্য থাকায় প্রকল্পটি বাতিল করা হলো। নির্বাচনী বন্ড কালো টাকা রোধ করার একমাত্র উপায় নয়।

 

পরবর্তীতে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী বিজেপি এই বন্ডগুলোর মাধ্যমে সর্বাধিক তহবিল পেয়েছে, প্রায় ৬ হাজার ৯৮৬ কোটি রুপি। একইভাবে কংগ্রেস ১ হাজার ৩৩৪ কোটি রুপি এবং তৃণমূল কংগ্রেস ১ হাজার ৩৯৭ কোটি সংগ্রহ করেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )