1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsiam4@gmail.com : Saimum Siam : Saimum Siam
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাদের ঐক্যের আহ্বান, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে একসঙ্গে কাজের অঙ্গীকার ​”চলতি বছরেই দেশে ফিরব” — এনডিটিভি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা তুরাগ নদ থেকে দুই দিনে ৩ লাশ উদ্ধার, পরিচয় নিয়ে যা জানা গেল লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা গাইবান্ধা গাইবান্ধায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রেস্টুরেন্টে আগুন আটক ১ জন পাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথা, এই চক্রান্ত কোনো ভাবেই সফল হতে দেবো না: হাদির বোন তিস্তা সেচ প্রকল্পে ১৪০০ কোটি টাকার ‘মহা হরিলুট’: খাতা-কলমে উন্নয়ন, বাস্তবে কৃষকের হাহাকার অনুষ্ঠান থেকে গরিবের ডাক্তারকে পুলিশে ধরিয়ে দিলেন যুবদলের নেতাকর্মীরা সাবেক মেয়রকে ছিনিয়ে নিলেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা, পুলিশ বলছে পালিয়ে গেছে তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যা: আটক মুজাহিদের স্বীকারোক্তি

বিরোধীরাও বন্ড পেয়েছে, এটা কি চাঁদাবাজি: রাহুল গান্ধীকে অমিত শাহ

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৮২ জন দেখেছেন

বাতিল করা নির্বাচনী বন্ড ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের জবাবে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, বিরোধী দলগুলোও তো বন্ডের মাধ্যমে অনুদান পেয়েছেন। এগুলোকে কি ‘চাঁদাবাজি’ বলা যাবে?

এনডিটিভি-তে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অমিত শাহ এ কথা বলেন।

এর আগে রাহুল বলেছিলেন, নির্বাচনী বন্ড ব্যবস্থা ‘বিশ্বের বৃহত্তম চাঁদাবাজি প্রকল্প’। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন’।

 

রাহুলের মন্তব্যের সমালোচনা করে অমিত শাহ বলেন, ‘তাদের দলগুলোও বন্ডের মাধ্যমে অনুদান পেয়েছে। এটাও কি চাঁদাবাজি? রাহুল গান্ধীকে অবশ্যই জনগণকে বলতে হবে, হ্যাঁ, আমরাও চাঁদাবাজি করেছি। আর এমপিদের সংখ্যার অনুপাতে আমরা যে পরিমাণ অনুদান পেয়েছি তারা এর থেকেও বেশি পেয়েছে। তাই তারা বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, কিন্তু সফল হবে না।’

১৫ ফেব্রুয়ারি একটি যুগান্তকারী রায়ে সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের তথ্যের অধিকার লঙ্ঘনের ভিত্তিতে নির্বাচনী বন্ড প্রকল্প বাতিল করে দেয়। ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, এই স্কিমটি অসাংবিধানিক ও স্বেচ্ছাচারী ছিল। এটি রাজনৈতিক দল ও দাতাদের মধ্যে একটি সমঝোতার মাধ্যম।

 

পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ রায়ে বলেছিলেন, কালো টাকা সাদা করা এবং দাতাদের গোপনীয়তা বজায় রাখার উদ্দেশ্য থাকায় প্রকল্পটি বাতিল করা হলো। নির্বাচনী বন্ড কালো টাকা রোধ করার একমাত্র উপায় নয়।

 

পরবর্তীতে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী বিজেপি এই বন্ডগুলোর মাধ্যমে সর্বাধিক তহবিল পেয়েছে, প্রায় ৬ হাজার ৯৮৬ কোটি রুপি। একইভাবে কংগ্রেস ১ হাজার ৩৩৪ কোটি রুপি এবং তৃণমূল কংগ্রেস ১ হাজার ৩৯৭ কোটি সংগ্রহ করেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )