প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দুর্গাপূজার জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট চার কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল। এর বিপরীতে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি অনুদান দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট দুই কোটি টাকা চেয়েছিল। তাদের জন্যও চাহিদার তুলনায় এক কোটি টাকা বাড়িয়ে মোট তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সরকারের চলতি বছরের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি রয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীতে রয়েছে সাধারণ ছুটি।
এরপর ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সরকারি অফিস-আদালত খোলা থাকার কথা ছিল। তবে ওই দিনও নির্বাহী আদেশে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা পাঁচ দিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
অর্থাৎ ২০, ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর—এই পাঁচ দিন সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।
সরকারি ছুটির আওতায় থাকলেও হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। গণমাধ্যমসহ প্রয়োজনীয় কিছু প্রতিষ্ঠানেও ছুটির দিনে কর্মীদের দায়িত্বে থাকতে হতে পারে।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত সরকারি ছুটির দিনে বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট শাখা বা বিশেষ সেবা চালু থাকতে পারে। এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকবে।
দুর্গাপূজার ছুটি এক দিন বাড়ানোর পাশাপাশি অনুদানের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দুর্গাপূজা উদ্যাপনে বাড়তি সময় পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আয়োজনের ক্ষেত্রেও চাহিদার চেয়ে বেশি অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।