রোববার সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জেলার আটটি থানা-পুলিশ ও ডিবি পুলিশ পৃথকভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করে। রাত ১১টার দিকে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) নাদিরা নুর।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পরিচালিত অভিযানে চাঁদপুর সদরে ৩৫ জন, হাইমচরে ৪৮ জন, ফরিদগঞ্জে ৪১ জন, হাজীগঞ্জে ৩৭ জন, কচুয়ায় ৬২ জন, শাহরাস্তিতে ৪৫ জন, মতলব উত্তরে ৫২ জন এবং মতলব দক্ষিণে ৩৬ জনকে আটক করা হয়। এর বাইরে ডিবি পুলিশ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আরও ১৪ জনকে আটক করে।
সব মিলিয়ে অভিযানে আটক করা হয় ৩৭০ জনকে। যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের মধ্যে ৩৫৫ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫ জনের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নুর জানান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর নির্দেশনা এবং চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে জেলার আটটি থানা-পুলিশ ও ডিবি পুলিশ সমন্বিতভাবে অভিযানটি পরিচালনা করে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। চাঁদপুর পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানও জানিয়েছেন, কিশোর গ্যাং ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে জেলা পুলিশের অভিযান ও কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।
জেলার আট উপজেলায় একই সময়ে পরিচালিত এই অভিযানে বিপুলসংখ্যক কিশোর ও তরুণকে আটক করার ঘটনা কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে পুলিশের চলমান তৎপরতারই অংশ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।