1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsiam4@gmail.com : Saimum Siam : Saimum Siam
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
​”চলতি বছরেই দেশে ফিরব” — এনডিটিভি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা তুরাগ নদ থেকে দুই দিনে ৩ লাশ উদ্ধার, পরিচয় নিয়ে যা জানা গেল লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা গাইবান্ধা গাইবান্ধায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রেস্টুরেন্টে আগুন আটক ১ জন পাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথা, এই চক্রান্ত কোনো ভাবেই সফল হতে দেবো না: হাদির বোন তিস্তা সেচ প্রকল্পে ১৪০০ কোটি টাকার ‘মহা হরিলুট’: খাতা-কলমে উন্নয়ন, বাস্তবে কৃষকের হাহাকার অনুষ্ঠান থেকে গরিবের ডাক্তারকে পুলিশে ধরিয়ে দিলেন যুবদলের নেতাকর্মীরা সাবেক মেয়রকে ছিনিয়ে নিলেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা, পুলিশ বলছে পালিয়ে গেছে তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যা: আটক মুজাহিদের স্বীকারোক্তি আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসবাসীকে শুভেচ্ছা

ইউক্রেন-রাশিয়া চুক্তি বাতিল: সবচেয়ে বিপাকে পড়বে চীন-এশিয়া?

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শুক্রবার, ২১ জুলাই, ২০২৩
  • ১১৫ জন দেখেছেন

রাশিয়া শস্য রফতানি চুক্তি থেকে সরে যাওয়ায় কৃষ্ণসাগর দিয়ে ইউক্রেনের শস্য বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। আর ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম গম, ভুট্টা ও ভোজ্য তেল রফতানিকারক দেশ। এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশই ইউক্রেনের খাদ্যশস্যের ওপর নির্ভরশীল। ইউরোপের অনেক দেশের চাহিদাও মেটে ইউক্রেনের শস্যে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষ্ণসাগর দিয়ে খাদ্যশস্য রফতানি বন্ধ হওয়ায় এশিয়ার বাজার অস্থির হয়ে উঠতে পারে। কারণ কৃষ্ণসাগর দিয়ে চালান হওয়া ইউক্রেনের খাদ্যশস্যের ৪৬ শতাংশের ভোক্তা চীন। আর ৪০ শতাংশ যায় পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে। আফ্রিকায় যায় মাত্র ১২ শতাংশ খাদ্যশস্য।

জাতিসংঘের হিসাব মতে, ইউক্রেনের খাদ্যশস্যের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক চীন। দেশটি ৭.৭ মিলিয়ন টন শস্য ইউক্রেন থেকে আমদানি করেছে। এরমধ্যে ভুট্টা ৫.৬ মিলিয়ন টন, সূর্যমুখী বীজ ১.৮ মিলিয়ন টন ও সূর্যমুখী তেল ৩ লাখ ৭০ হাজার টন এবং বার্লি ৩ লাখ ৪০ হাজার টন।

এশিয়া ও প্রশান্ত অঞ্চল বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ওকসানা লেসনিয়াক বলেছেন, ‘চীন ৩০ শতাংশ ভুট্টা ইউক্রেন থেকে আমদানি করে থাকে। যা খাবার, ভোজ্য তেল ও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।’

কিয়েভের স্কুল অব ইকোনোমিক্সের খাদ্য ও ভূমি গবেষক পাবলো মার্তিশেভ বলেছেন, এই চুক্তি বাতিলের ফলে আফ্রিকার দেশগুলোর চেয়ে  চীনসহ এশিয়ার দেশগুলো ভালো অবস্থানে থাকবে। তিনি বলেন, ‘এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা এই চুক্তি বাতিল হওয়া বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। খাদ্যশস্য ও তেল বীজের দাম বাড়বে। এই কারণে ওই অঞ্চলে খাদ্যস্ফীতি দেখা দিতে পারে।’

পাবলো মার্তিশেভ বলেছেন, ‘তবে এটা মনে রাখা জরুরি সেখানে (চীন ও এশিয়া) আক্ষরিক অর্থে খাদ্যপণ্যের ঘাটতি দেখা দেবে না। এশিয়ার দেশগুলো (আফ্রিকার তুলনায়) অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। সুতরাং তারা পর্যাপ্ত খাবারের যোগান পাবে।’

এ বিষয়ে উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি চীনের সাথে ব্রাজিলের খাদ্যশস্য আমদানি চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন। ২০২২ সালে করা চুক্তির আওতায় ব্রাজিল থেকে ভুট্টা আমদানি করতে পারবে চীন।

পাবলো মার্তিশেভ মনে করছেন, সামনের মাসগুলোতে চুক্তি বাতিলের ফলস্বরূপ বিশ্বে খাদ্যশস্যের দাম বাড়তে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )