পরিস্থিতি হলেও রোহিঙ্গাদের নিরাপদে সরানোরও ব্যবস্থা রয়েছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতের মুল কেন্দ্র যেহেতু কক্সবাজার, তাই আমরা এখানে প্রাণহানি রোধসহ ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য সচেষ্ট রয়েছি। দুর্যোগ থেকে যেভাবে বাঁচানো সম্ভব তার সবই করা হচ্ছে।
অপরদিকে পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসন সহ অন্যান্য সংস্থার সাথে পুলিশ মাঠে রয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে না তাদের বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো নিশ্চিত করবে পুলিশ।
এদিকে, মোখার প্রভাবে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। সকাল থেকে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। সাগর বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট জোয়ারের পানি বেড়েছে। দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে হালকা বাতাস শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হচ্ছে।