দীপক রায় : রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হারিয়ারকুঠি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতির বিরুদ্ধে সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ি বাজার থেকে হাড়িয়ারকুঠি যাওয়ার সড়কে চৌধুরীপাড়া-বানিয়াপাড়ায় রাস্তার ধারের একটি কড়াই কাঠের গাছ পার্শ্ববর্তী জমিতে ঝড়ে উপরে পড়ে। গাছটি প্রায় ১৮-২০ দিন পর্যন্ত সেখানেই পড়ে ছিল। আনুমানিক প্রায় ১০ হাজার টাকা মূল্যের গাছটি ১৮ জুলাই হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের ছাত্রনেতা আবুল কালামের নেতৃত্বে কড়াত ব্যবহার করে কেটে কয়েক টুকরা করা হয়। এরপর দুইটি টুকরো বিক্রি করে দেয় ওই ছাত্রনেতা। আবুল কালাম হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কিসামত মেনানগর পূর্ব জুম্মাপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের পুত্র ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি। স্থানীয় কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আবুল কালামের নেতৃত্বে কিছু ছেলে প্রতিদিন কাশিয়াবাড়ি ও ডাঙ্গিরহাট বাজারসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় নেশা করে ঘুরে বেড়ানোসহ উঠতি বয়সের ছেলেদের নেশার প্রতি আকৃষ্ট করাই তাদের প্রধান কাজ।
তাদের নেশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ও সন্তানদের নিয়ে শঙ্কিত ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। তাদের ধারনা, নেশার টাকা যোগাড় করতেই আবুল কালাম তার দলবল নিয়ে গাছটি কেটে বিক্রি করেছে।
এবিষয়ে জানতে আবুল কালামের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ইউএনও মোনাব্বর হোসেন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদকে ওখানে পড়ে থাকা গাছের অংশ পরিষদে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কিছু অংশ বাইরে গিয়েছিল। সেগুলোও নিয়ে আসার উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। যারা নিয়ে গিয়েছিল তারা বিএনপির কিছু ছোট ছেলেপেলে।