গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার পূর্ব ফরিদপুর গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে আমেনা বেগমকে (৫৫) গত বছরের ৫ নভেম্বর হত্যা করে জমিতে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ মো. শহীদ মিয়া ওরফে শরীফসহ কয়েকজনকে আসামি করে আমেনা বেগমের ছেলে পলাশবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন শরীফ।
গতকাল বৃহস্পতিবার র্যাব-১৩ পলাশবাড়ির বুজরুক বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামি শরীফকে গ্রেফতার করে।
র্যাব জানায়, আমেনা বেগমের পরিবারের সাথে প্রতিপক্ষ বুজরুক বিষ্ণুপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে শরীফ মিয়াদের জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতে মামলা চলছিল। মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য আসামিরা আমেনা বেগমের পরিবারকে ভয়ভীতি ও হত্যা করার হুমকি দিয়ে আসছিল। এ অবস্থায় গতবছর ৪ নভেম্বর রাত ৮ টা থেকে ৫ নভেম্বর ভোর ৬টার মধ্যে কোন এক সময় আমেনা বেগমকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধরে নিয়ে আসামিরা গুরুতর জখমসহ হত্যা করে গ্রামের ঘাসের জমিতে ফেলে রাখে। লাশ উদ্ধারের পর নিহতের ছেলে আউয়াল সরকার বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর আসামি গত ছয় মাস থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি শরীফ আত্মগোপন করে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করতো বলে জানায় এবং মামলার আসামি বলে স্বীকার করে।
র্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ জানান, আসামিকে পলাশবাড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার অন্য আসামিদের বিষয়ে গোপন অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।