1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুর-লুটপাট, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৪৪.২৭ শতাংশ ৭৪ বছর বয়সে যমজ সন্তানের মা, কীভাবে সম্ভব হলো? ঢাকার কারাগারে ২৪ দিনে ১০ বন্দির মৃত্যু, চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তারাগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রাশেদুল আহসান খান বাবু মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের ক্লেমন ইনডোর ইউনি ক্রিকেটে রানার্স আপ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি শেখ হাসিনার ৮০ তম জন্মদিন পালনে ভারতে একাধিক অনুষ্ঠান, থাকবেন বিজেপির মন্ত্রী, কংগ্রেসের নেতা, বিশিষ্টজনেরা দেয়ালে কিশোর গ্যাংয়ের নাম, কুমিল্লায় অভিযানেও থামছে না অপরাধ

ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ জন দেখেছেন

প্রকৃতির রুদ্ররূপ আর মানুষের তৈরি জলবায়ু পরিবর্তনের যৌথ ধাক্কায় বিপর্যস্ত পৃথিবী। চলতি বছর শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র খরা, পানির অভাব, রেকর্ড তাপমাত্রা এবং দাবানলের মতো চরম আবহাওয়া। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ মাসে বিশ্বজুড়ে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই শঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। এই ভয়াবহ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত তাপমাত্রাজনিত কারণে ৪ লাখ ৫১ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

আবহাওয়াবিদদের একাংশ একে চিহ্নিত করেছেন গডজিলা ইফেক্ট নামে। প্রকৃতির ওপর এল নিনোর প্রভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে তা উঠে এসেছে নতুন এই গবেষণায়। সেখানে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে দরিদ্র দেশগুলোতে; যেসব দেশ ইতিমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন ও ইরান যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্যসংকট এবং জ্বালানির অতিরিক্ত মূল্যের সঙ্গে লড়াই করছে। গবেষণায় বিশ্বের ২৪ হাজারের বেশি অঞ্চলের তাপমাত্রা ও মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, সাহারা মরুভূমির দক্ষিণের সাহেল অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত প্রায় ৬৬ হাজার ৮০০ মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হয়েছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশকেও উচ্চঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে।

গবেষণার সহ-লেখক ও ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল গ্রিনস্টোন বলেন, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই এল নিনোর প্রভাব শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, গরমের ঝুঁকি ফেব্রুয়ারির পরের মাসগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়ার এই চরম পরিবর্তনের প্রভাব আগামী বছরের গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত অনুভূত হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। তিনি বলেন, এই গবেষণা স্পষ্ট করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা সেসব স্থানে বেশি বিপজ্জনক, যেগুলো আগে থেকেই তুলনামূলক উষ্ণ ও দরিদ্র। গ্রিনস্টোন বলেন, ‘আপনি যদি আগে থেকেই কোনো তপ্ত অঞ্চলে থাকেন, তাহলে তাপমাত্রা আর কয়েক ডিগ্রি বাড়া মানেই তা জীবনের জন্য বহুগুণ বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠা।

গবেষকরা জানিয়েছেন চলমান এল নিনোর ধাক্কায় পৃথিবীর স্থলভাগের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে আরও ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওপরে উঠে যেতে পারে। শুধু তাই নয় তীব্র তাপপ্রবাহ আসার দিন একলাফে প্রায় ৪৪ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে গবেষণাপত্রে। এত বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কার বিপরীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারের জন্য কিছু পদক্ষেপের কথা সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এর মধ্যে রয়েছে তাপপ্রবাহের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, শীতলীকরণ কেন্দ্র, বিনামূল্যে খাবার পানির বুথ স্থাপন, উন্মুক্ত স্থানে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষা, হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বয়স্ক ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকা মানুষদের বাড়তি নজরদারির আওতায় আনা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )