বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণতান্ত্রিক চর্চা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সীমিত করা, নির্বাচনী অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি এবং বিরোধী মত দমনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, একতরফা নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দেওয়া হচ্ছে। তার বক্তব্যে বিচার বিভাগ, সাংবাদিক সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন ও রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং হয়রানির অভিযোগও উঠে আসে।
আরাফাত আরও বলেন, সাবেক বিচারপতি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে দীর্ঘ সময় ধরে মামলায় জড়ানো ও কারাবন্দি রাখা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা, আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নির্যাতনের অভিযোগও তার বক্তব্যে উঠে আসে।
এছাড়া তিনি স্বাস্থ্যখাত, টিকাদান কার্যক্রম এবং বিদেশি শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ড গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় স্বচ্ছতার পরিপন্থী।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।