1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsiam4@gmail.com : Saimum Siam : Saimum Siam
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জামায়াতের এখনকার কাজ অপপ্রচার আর মিথ্যাচার: রুহুল কবির রিজভী বিনামূল্যে ইউটিউবে দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ, তবে শর্ত আছে এবার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে লাগবে মাসিক ফি রাজস্ব তহবিল থেকে আসিফ ১৫ ও হাসনাত ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন: কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক তারাগঞ্জে বিষপানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু ‘ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হোক দেহ’, স্ট্যাটাসের পর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী ‍নিহত ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামক মহিষ নিয়ে সরকারের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কুয়েতের মার্কিন বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা ইরানের ইরানে আবারও মার্কিন হামলা, চরম ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

সিলেট তৃণমূলের আস্থা, একঝাঁক প্রবাসী

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৫৩ জন দেখেছেন

৫ই আগস্টের আওয়ামী পরিবারের নেতাকর্মীদের জীবনে নেমে আসে এক ভয়াবহ ও বিভীষিকাময় সময়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা আর টিকে থাকার নিরন্তর সংগ্রাম। সেই দিনগুলো যেন এক দুঃস্বপ্ন, কোথাও সহিংসতার খবর, কোথাও পুড়ে যাওয়া ঘরবাড়ি, কোথাও আবার প্রিয়জন হারানোর শোক। পুড়ে যাওয়া বসতভিটার গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছিল চারপাশ, মাটির সাথে মিশে ছিল ধ্বংসের চিহ্ন।

সিলেট থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক স্থাপনায় আগুন লাগানো, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট ও দখলের ঘটনায় সাধারণ নেতাকর্মীদের জীবন হয়ে ওঠে চরম অনিরাপদ। মাসের পর মাস অস্থিরতা বিরাজ করে, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ভেঙে পড়ে। অনেকেই আশ্রয় হারান, কেউ পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটান, আবার কেউ নিজের নিরাপত্তার জন্য এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন। তৃণমূলের অসংখ্য নেতাকর্মী হয়ে পড়েন দিশেহারা। যাদের জীবনের একমাত্র অবলম্বন ছিল ছোট ব্যবসা বা চাকরি, সেগুলোও হারিয়ে যেতে থাকে।

এই কঠিন বাস্তবতায় অনেক পরিবার পড়ে যায় চরম সংকটে। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, অসুস্থদের চিকিৎসা অনিশ্চিত হয়ে যায়। ভয় আর শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাতে কাটাতে অনেকের কাছে ভবিষ্যৎ একেবারেই অন্ধকার হয়ে ওঠে।

ঠিক এমন এক সংকটময় সময়ে প্রবাসী ভাইয়েরা হয়ে ওঠেন এক আশার আলো।

দেশের টান, শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা এবং দলের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে তারা মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। তারা শুধু আর্থিক সহায়তাই দেননি, দিয়েছেন সাহস, দিয়েছেন মানসিক শক্তি, দিয়েছেন আবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা।

প্রবাসীদের পাঠানো সহায়তায় অনেক পরিবার নতুন করে বাঁচার পথ খুঁজে পেয়েছে। কেউ খাবারের ব্যবস্থা করতে পেরেছে, কেউ আশ্রয় পেয়েছে, কেউ আবার ছোট করে নতুন করে শুরু করার সাহস পেয়েছে। কারাবন্দী বা বিপদগ্রস্ত নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে নিয়মিত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, তাদের খোঁজখবর রাখা হয়েছে আন্তরিকতার সাথে।

যেসব নেতাকর্মী নিরাপত্তার কারণে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের জন্যও প্রবাসীরা ছিলেন নীরব সহায়।

কেউ আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন, কেউ নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে সাহায্য করেছেন, কেউ আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য তহবিল গঠন করেছেন। এই সম্মিলিত উদ্যোগ অনেকের জন্য শক্তি হয়ে উঠেছে।

ঈদ কিংবা যেকোনো উৎসবেও প্রবাসীরা থেমে থাকেননি। আনন্দের সময়েও তারা খোঁজ নিয়েছেন অসহায় পরিবারের, পৌঁছে দিয়েছেন সহায়তা। আবার দুঃসময়ে শক্ত হাতে পাশে দাঁড়িয়ে প্রমাণ করেছেন—দূরত্ব কখনো সম্পর্ককে দূরে সরাতে পারে না।

প্রবাস থেকে দলের এক্লান্তি লগ্নে কোন লুটপাট কারী নেতা এমপি মস্ত্রী পাশে দাড়াঁন নি।

দাড়িয়েছে সিলেটের একঝাক স্বপ্নবান মানুষ…

প্রবাসী ভাইদের মধে উল্লেখ যোগ্য —স্পেন প্রবাসী অলিউর রহমান, স্পেনের বার্সেলোনা প্রবাসী শাহিন মিয়া, স্পেন আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন এবং তামিম চৌধুরী।

যুক্তরাজ্য প্রবাসী মতিউর রহমান শাহিন, সাবেক ছাত্রনেতা কাজী শাহজাহান, যুক্তরাজ্যের হারুন ভাই, বিধু মিয়া। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শেখ সাদেক আরও

আবাবুর রহমান মিরন।

প্রবাসী ভাইদের, যারা এই কঠিন সময়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তারা সারা সিলেটের অসংখ্য কারাবন্দি নেতাকর্মিদের আইনি সহায়তা করেছে কারাগারের বন্দিদসা থেকে করেছে মুক্ত। তাদের পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাধে তুলে নিয়েছিল।

 

হয়তো এই অবদানের সব গল্প কখনো প্রকাশ্যে আসবে না, অনেক নামই অজানা থেকে যাবে। কিন্তু এই কঠিন সময়ে যারা নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারা দেখিয়েছেন, হাজার মাইল দূরে থেকেও নিজের মানুষের পাশে থাকা যায়, বিপদের সময়ে সত্যিকারের আপন হওয়া যায়।

দুঃসময়ে যারা পাশে থাকে, তারাই প্রকৃত আপন, প্রবাসীরা আবারও সেই সত্য প্রমাণ করেছে।

সুমনা আক্তার লিলির 

ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )