1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে গুরুত্ব পাবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চোটে বার্সেলোনার পরের দুই ম্যাচে খেলতে পারবেন না রাফিনহা চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘খেলাধুলা’ বই, নতুন শিক্ষাবর্ষে চালু সুন্দরবনে বনদস্যু আলিফ বাহিনীর ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণ দেশের আট বিভাগেই বৃষ্টি ও বজ্রবাতের সম্ভাবনা, তাপমাত্রা বাড়তে পারে মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা, দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সারা দেশ প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের বিপক্ষে লড়াইয়ের অপেক্ষা ব্যাংক খাতের ক্ষতি পোষাতে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন

একনেক সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেল পদ্মা ব্যারেজ

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১৬১ জন দেখেছেন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বহুল আলোচিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। জানা গেছে, জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

একনেক সভায় মোট ১৬টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ১১ নম্বর কার্যতালিকায় ছিল পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প। এর আগে কয়েক দফা প্রকল্পটি একনেক সভায় উঠলেও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাদু পানির প্রবাহ বৃদ্ধি করা হবে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। পাশাপাশি কমবে লবণাক্ততা, সচল হবে মৃতপ্রায় নদীগুলো এবং কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশ খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের পর থেকেই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোতে পানিপ্রবাহ কমতে শুরু করে। এর প্রভাবে গড়াই-মধুমতি, হিসনা-মাথাভাঙ্গা, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়ালসহ বিভিন্ন নদী শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে বাড়তে থাকে লবণাক্ততা, যা কৃষি, সুপেয় পানি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে প্রায় ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা।

তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ভারত-বাংলাদেশ পানিবণ্টন ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ায় নতুন করে আলোচনা প্রয়োজন হতে পারে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )