1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsiam4@gmail.com : Saimum Siam : Saimum Siam
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তুরাগ নদ থেকে দুই দিনে ৩ লাশ উদ্ধার, পরিচয় নিয়ে যা জানা গেল লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা গাইবান্ধা গাইবান্ধায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রেস্টুরেন্টে আগুন আটক ১ জন পাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথা, এই চক্রান্ত কোনো ভাবেই সফল হতে দেবো না: হাদির বোন তিস্তা সেচ প্রকল্পে ১৪০০ কোটি টাকার ‘মহা হরিলুট’: খাতা-কলমে উন্নয়ন, বাস্তবে কৃষকের হাহাকার অনুষ্ঠান থেকে গরিবের ডাক্তারকে পুলিশে ধরিয়ে দিলেন যুবদলের নেতাকর্মীরা সাবেক মেয়রকে ছিনিয়ে নিলেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা, পুলিশ বলছে পালিয়ে গেছে তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যা: আটক মুজাহিদের স্বীকারোক্তি আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসবাসীকে শুভেচ্ছা ধানমন্ডিতে জামায়াতের মিছিল শেষে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিককে মারধর

মেহেরপুরে ৩ ছাত্রকে ‘ধর্ষণ’, মাদ্রাসা ঘেরাও করে বিক্ষোভ

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৬ জন দেখেছেন

মেহেরপুরের মুজিবনগরে একটি মাদ্রাসায় তিন ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর মাদ্রাসা ও থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা ও অভিভাবকরা।

বৃহস্পতিবার রাতে মুজিবনগর কেদারগঞ্জ বাজারে মুজিবনগর আইডিয়াল মাদ্রাসা ও দারুল হিফজখানা বোর্ডিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।

মুজিবনগর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির মওলানা তাহাজ উদ্দিন ওই ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিশুর অভিভাবক বাদী হয়ে থানায় এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।

পরে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ভুক্তভোগী শিশুদের।

গ্রেপ্তার নূর উদ্দিন ওই মাদ্রসার আরবি শিক্ষক। তিনি নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার টেংগাচোড়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন জেলার শিশুরা এই বোর্ডিং মাদ্রাসায় থেকে পড়াশুনা করে। বৃহস্পতিবার রাতে তিন শিশুকে ‘ধর্ষণের’ ঘটনা জানাজানি হলে মাদ্রাসাটি ঘেরাও করে বিক্ষুদ্ধ লোকজন।

তবে জামায়াত নেতার মালিকানাধীন হওয়ায় দলটির কর্মীরা মাদ্রাসা রক্ষায় এগিয়ে গেলে স্থানীয়রা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে।

এ সময় পুলিশ মাদ্রাসায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলে বিক্ষুদ্ধরা ঘটনার বিচার এবং জড়িত শিক্ষককে গ্রেপ্তারের দাবিতে মুজিবনগর থানা ঘেরাও করে।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা ও মামলার বাদী বলেন, তার ছেলে ওই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির হিফজ বিভাগে পড়াশুনা করে। বৃহস্পতিবার রাতে আরেক ছাত্রের অভিভাবকের মাধ্যমে মাদ্রাসায় ‘শিশু ধর্ষণের’ ঘটনা শুনে রাত ৩টার দিকে সেখানে গিয়ে তিনি ১০ বছরের ছেলেকে উদ্ধার করেন।

শিশুটি তার পরিবারকে বলেছে, বোর্ডিংয়ের আরবি শিক্ষক নূর উদ্দিন তাকেসহ তিন ছাত্রকে মাঝেমধ্যেই গভীর রাতে ‘রুমে নিয়ে খারাপ কাজ’ করে। এমনকি ঘটনার দিনও ওই শিক্ষক তার সঙ্গে ‘৩-৪ বার খারাপ কাজ’ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম এবং মাজেদুর রহমান বলেন, তারা মুজিবনগর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় কয়েকজনকে মাদ্রাসার দিকে ছুটতে দেখেছেন। তারা বলেন, ওই মাদ্রাসায় ছাত্রদের সঙ্গে ‘খারাপ কাজ’ করা হচ্ছে। ছেলেদের বাঁচাতে তারা স্থানীয়দের সাহায্য চান।

তাদের আকুতি শুনে শতশত মানুষ সেখানে জড়ো হয় এবং মাদ্রাসা ঘেরাও করে। তখন জামায়াত কর্মীরা সেই শিক্ষককে উদ্ধার করে মাদ্রাসা রক্ষায় এগিয়ে এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়।

তখন পুলিশ মাদ্রাসায় ঢুকে সেই শিক্ষককে আটক করে এবং শিশুদের উদ্ধার করে। পরে বিক্ষুদ্ধ লোকজন বিচারের দাবিতে মুজিবনগর থানা ঘেরাও করে।

স্থানীয় কয়েকজন বলেছেন, এমন অভিযোগ তারা প্রায়ই শুনতেন, কিন্তু আগে ‘বিশ্বাস হয়নি’।

এ ঘটনায় মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মো. খায়রুল বাশার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন- “রাতেই এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ছড়ানো হয় মাদ্রাসাটি জামায়াতের আমিরের। জামায়াতের কর্মীরা এটা মিথ্যা দাবি করতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। ”

মাদ্রাসাটির শিক্ষক সোহেল রানা বলেন- “এই মাদ্রাসার সঙ্গে মেহেরপুর জেলা জামায়াতের আমির তাহাজ উদ্দিন খাঁনের কোনো সম্পর্ক নেই। মাদ্রাসাটির পরিচালক জামায়াতের আমিরের বড় ভাই সেলিম হোসেন খাঁন, প্রিন্সিপাল হাফেজ বায়োজিত হোসেন।”

তিনি আরও বলেন, “ এ ধরনের ঘটনা আগে ঘটলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হতো। আমরা মাদ্রাসা ঘেরাওয়ের পর ঘটনা শুনেছি। শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্র্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। সেই শিক্ষক গ্রেপ্তার হয়েছেন।”

ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “জামায়াত আমিরের মালিকানাধীন মাদ্রাসায় এই ঘটনায় শিশুর অভিভাবক বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন।

“মামলায় ওই শিক্ষক প্রায়ই মাদ্রাসার ছাত্রদের গভীর রাতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করত বলে অভিযোগ আছে। শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”

এছাড়া ভুক্তভোগী শিশুদের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠিয়ে ২২ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )