1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তারাগঞ্জে ভুট্টাবোঝাই ট্রাক উল্টে খাদে, অল্পের জন্য রক্ষা চালক ডিজিটাল খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনা, গুরুত্ব পাচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা যমুনা ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে ১৬ শতাংশ, নয় মাসে প্রবৃদ্ধি প্রায় ২০ শতাংশ তৃতীয় প্রান্তিকে রবির শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে, নয় মাসে প্রবৃদ্ধি ২০ শতাংশের বেশি চার দিন কমার পর আবার বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে, কমতে পারে তাপমাত্র আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসে আগুন, ২৪ ঘণ্টার বেশি সময়েও নেভেনি রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৪ দেশে ফিরলে মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না শেখ হাসিনাকে: তথ্য উপদেষ্টা

ডিজিটাল খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনা, গুরুত্ব পাচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছেন

উপশিরোনাম: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন কাজের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা; তরুণদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সিং ও প্রযুক্তিনির্ভর পেশায় প্রশিক্ষণের ওপর জোর

নিজস্ব প্রতিবেদক | সংবাদ পোস্ট

বাংলাদেশে ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। সফটওয়্যার উন্নয়ন, ডিজিটাল সেবা, অনলাইন ব্যবসা, ফ্রিল্যান্সিং এবং প্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন পেশায় তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাতের বিকাশ দেশের কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

ডিজিটাল খাতে বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে তথ্য প্রচারিত হয়েছে, তার নির্দিষ্ট সরকারি ঘোষণা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তাই এই সংখ্যাকে নিশ্চিত সরকারি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে বিবেচনা করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মূল ঘোষণা যাচাই করা প্রয়োজন।

প্রযুক্তিনির্ভর পেশায় বাড়ছে সম্ভাবনা

বিশ্বজুড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য ও সেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোও ওয়েবসাইট তৈরি, সফটওয়্যার উন্নয়ন, ডিজিটাল বিপণন, তথ্য বিশ্লেষণ এবং অনলাইন গ্রাহকসেবার মতো কাজে প্রযুক্তিনির্ভর জনশক্তির প্রয়োজন অনুভব করছে।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করার সুযোগ থাকায় ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশের তরুণদের কাছে পরিচিত একটি পেশা হয়ে উঠেছে। গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও সম্পাদনা, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, কনটেন্ট তৈরি এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মতো কাজের মাধ্যমে দক্ষ ব্যক্তিরা দেশি-বিদেশি গ্রাহকদের সেবা দিতে পারেন।

তবে এসব ক্ষেত্রে কাজ পেতে শুধু প্রশিক্ষণ গ্রহণ যথেষ্ট নয়। বাস্তব দক্ষতা, কাজের নমুনা, যোগাযোগের সক্ষমতা এবং সময়মতো কাজ সম্পন্ন করার অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ।

দক্ষতা উন্নয়ন কেন জরুরি?

ডিজিটাল অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান বাড়াতে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগদাতারা সনদের পাশাপাশি বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেন।

এ কারণে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং, সাইবার নিরাপত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তথ্য বিশ্লেষণের মতো বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে ইংরেজিতে যোগাযোগ, দলগতভাবে কাজ করা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং পেশাগত আচরণের মতো দক্ষতাও কর্মজীবনে সহায়ক।

তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ

বাংলাদেশের তরুণদের একটি অংশ অনলাইন মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের সঙ্গে কাজ করছেন। প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও মানসম্মত সেবা দিতে পারলে এই খাতে আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে ফ্রিল্যান্সিংকে দ্রুত বা নিশ্চিত আয়ের পথ হিসেবে দেখা উচিত নয়। কাজ পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা, অভিজ্ঞতার অভাব, গ্রাহক সংগ্রহের সমস্যা এবং অনিয়মিত আয়ের মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

তাই নতুনদের জন্য প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ, কাজের নমুনা তৈরি এবং নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের বিষয়ে যথাযথ ধারণা।

ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগের গুরুত্ব

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়লে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠা, স্থানীয় ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তর এবং নতুন সেবা তৈরির সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর ফলে সরাসরি প্রযুক্তি পেশার পাশাপাশি বিপণন, গ্রাহকসেবা, প্রশাসন ও অন্যান্য সহযোগী ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থান বাড়তে পারে।

তবে বিনিয়োগের সুফল নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট, আধুনিক প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন।

একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ কতটা তৈরি হচ্ছে, তা নিয়মিত মূল্যায়ন করা জরুরি। এতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা সম্ভব হবে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ

ডিজিটাল খাতে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা থাকলেও শুধু লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করলেই তা বাস্তবায়িত হয় না। নতুন চাকরি কতটি তৈরি হচ্ছে, সেগুলোর কতটি স্থায়ী, কর্মীদের আয় কেমন এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা কতটা কাজ পাচ্ছেন—এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষতা হালনাগাদ করার সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা গেলে ডিজিটাল অর্থনীতি দেশের কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠতে পারে। এজন্য সরকারি উদ্যোগ, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং মানসম্মত প্রশিক্ষণের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

ক্যাটাগরি: জাতীয় | তথ্যপ্রযুক্তি | কর্মসংস্থান | অর্থনীতি

সম্পাদনা নোট: আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা এবং সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনার সরকারি সূত্র নিশ্চিত হওয়ার পর তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা উচিত।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )