চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) চকবাজার ওয়ার্ডের সাবেক মহিলা কাউন্সিলর মমতাজ খান ইন্তেকাল করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে শোক প্রকাশ করেছেন স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।
মমতাজ খান চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকার ও নারী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি লাভ করেন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের চকবাজার ওয়ার্ডের সাবেক মহিলা কাউন্সিলর হিসেবে মমতাজ খানের স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ততার পরিচয় পাওয়া যায়। কাউন্সিলর পদটি স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং নগরসেবার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
তবে তাঁর কাউন্সিলর থাকাকালীন নির্দিষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ কিংবা ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত সেবামূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্প বা অর্জনের কৃতিত্ব আরোপ না করে তাঁর পরিচিত দায়িত্ব ও রাজনৈতিক ভূমিকার মধ্যেই এই প্রতিবেদন সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
মমতাজ খান চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তিনি সংগঠনটির সভা, আলোচনা অনুষ্ঠান এবং রাজনৈতিক-সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ও আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায়ও তাঁকে বক্তব্য প্রদানকারী নেত্রীদের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সংগঠনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন বলে প্রকাশিত সংবাদ থেকে প্রতীয়মান হয়।
রাজনৈতিক সংগঠনে নারীদের অংশগ্রহণ, নেতৃত্বের বিকাশ এবং জনপরিসরে নারীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা ও কর্মসূচি বাংলাদেশের নারী রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মমতাজ খানের দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও তাঁকে চট্টগ্রামের মহিলা আওয়ামী লীগের পরিচিত নেত্রীদের একজন হিসেবে তুলে ধরে।
তাঁর ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানানো হয়েছে।
মৃত্যু মানুষের জীবনের অবসান ঘটালেও তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্মৃতি, সম্পর্ক এবং কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা স্বজন ও সহকর্মীদের মাঝে থেকে যায়। মমতাজ খানের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছেও তাঁর স্মৃতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমা মমতাজ খানকে ক্ষমা করে দিন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত ও নূরান্বিত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করুন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তথ্যসূত্র: প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন ও সরবরাহ করা শোকবার্তা।
প্রতিবেদন: সংবাদ পোস্ট ডেস্ক