দেশের বাজারে সোনার দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ ও উদ্বেগ দুটোই রয়েছে। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুম ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য গয়না কিনতে আগ্রহী মানুষেরা প্রতিদিনের দর পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছেন। প্রকাশিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বাংলাদেশে সোনার দাম নির্ধারণে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দর, ডলারের বিনিময়মূল্য এবং স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে দেশে সোনার দাম পরিবর্তিত হতে পারে।
প্রকাশিত দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির মূল্য ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। তবে ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম আলাদা হয়ে থাকে।
সোনার গয়না কেনার সময় ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে, ঘোষিত মূল্যের সঙ্গে গয়না তৈরির মজুরি এবং প্রযোজ্য ভ্যাট যুক্ত হতে পারে। ফলে দোকান থেকে গয়না কেনার চূড়ান্ত খরচ ঘোষিত সোনার দরের চেয়ে বেশি হতে পারে।
বিশ্ববাজারে সোনার চাহিদা, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, মুদ্রাস্ফীতি, ডলারের শক্তিমত্তা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা কেনার প্রবণতা আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশের বাজারে এর সঙ্গে বিনিময় হার, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় সরবরাহ পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ।
সোনার দাম বেড়ে গেলে গয়না কেনার খরচ বাড়ে। এতে বিয়ে ও অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য গয়না কিনতে যাওয়া পরিবারগুলোর বাজেটে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে।
ক্রেতাদের সোনা কেনার আগে বাজুসের সর্বশেষ মূল্যতালিকা দেখে নেওয়া উচিত। পাশাপাশি গয়নার ক্যারেট, ওজন, মজুরি, ভ্যাট এবং বিক্রির রসিদ যাচাই করা প্রয়োজন। পুরোনো সোনা বিনিময়ের ক্ষেত্রেও দোকানের নিয়ম ও কর্তনের হিসাব পরিষ্কারভাবে জেনে নেওয়া ভালো।