হাসনাত তুহিন, ফেনী প্রতিনিধি: অভিনব কায়দায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে ৪০ হাজর পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার ও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ফেনী মডেল থানা পুলিশ।
এ নিয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে যার মামলা নং-১৬/২৩, তারিখ-০৯/১১/২০২৩ইং, ধারা-২০১৮ইং সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬ (১) সারণির ১০(খ)।,পুলিশ জানায়, ফেনী মডেল থানার জিডি নং-৫১৫, তাং-০৮/১১/২০২৩ইং মূলে এসআই/মো. মোতাহের হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত্রীকালীন মোবাইল-১ ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী মডেল থানাধীন দক্ষিণ চাড়ীপুর ১৩নং ওয়ার্ডস্থ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী পল্লী বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন-এর সামনে মহাসড়কের ওপর চেকপোস্ট করে একটি প্রাইভেটকারে যাত্রীবেশে থাকা আসামী ০১. দ্বীন মোহাম্মদ সাগর (১৯), পিতা: মো. বশির, মাতা: কুলসুমা বেগম, ০২. সঞ্চিতা বেগম (২৫), স্বামী: মো. রফিক, পিতা: আব্দুস সালাম, মাতা: নূলুর আয়েশা, উভয় সাং-ক্যাম্প এল.এম.এস ২৪, ব্লক-বি, লেদি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, (উভয়ের মাঝি নুর বক্স), ০৩. খালেদা বেগম (২৭), স্বামী: ছাদেক হোসেন, পিতা: তৈয়ম গোলাল, মাতা: তৈয়ফা খাতুন, সাং:গোদার বিল, ০৫ নং ওয়ার্ড, সর্ব থানা: টেকনাফ, জেলা: কক্সবাজার। এদের সন্দেহ হলে তল্লাশি করাকালে আসামীরা জানায় যে, তাদের পেটে ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে।
শনাক্তকরণে আসামীদের ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আসামীদের এক্সরে করে তাদের পেটে দানাদার বস্তুর উপস্থিতি দেখা যায় এবং আসামীরা স্বীকার করে যে, তাহাদের পেটে দৃশ্যমান বস্তুগুলো ইয়াবা ট্যাবলেট, যা বিশেষভাবে কলা খাওয়ার মাধ্যমে আসামীগন ভক্ষন করেছে।
পরবর্তীতে আসামীদের থানায় নিয়ে এসে উপরোক্ত ০১ নং আসামীকে পুরুষ পুলিশ এবং ০২ ও ০৩নং আসামীদের মহিলা পুলিশ দ্বারা সতর্কতার সাথে তল্লাশীর একপর্যায়ে আসামীগন স্বেচ্ছায় পেট থেকে পায়ুপথ দিয়ে থানার টয়লেট কক্ষে কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেট বাহির করে দিলে এসআই মো. মোতাহের হোসেন ফেনী মডেল থানায় উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় উপরোক্ত ০৩ জন আসামীদের পেট হতে বাহির করে দেওয়া মতে সর্বমোট ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, যার মূল্য অনুমান (৩০০×৪০০০)=১২,০০,০০০ টাকা (বারো লক্ষ) টাকা জব্দ করেন।
পরবর্তীতে আসামীদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে মামলাটি রুজু করে আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা জানায় যে, তারা কলা খাওয়ার মাধ্যমে অভিনব কায়দায় ইয়াবা ট্যাবলেটের ছোট ছোট পোটলা ভক্ষন করে পেটে বহন করতো। পরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়।