সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি দাবি করেন, অতীতে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিয়ে সোচ্চার থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমানে রাজনৈতিক অবস্থান বদলে ভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন।
এক ফেসবুক পোস্টে আরাফাত বলেন, এসব ব্যক্তি মূলত নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়েই দীর্ঘদিন বক্তব্য দিয়ে এসেছেন, যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের মতো বড় একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পক্ষে অবস্থান নেওয়া গণতান্ত্রিক মানসিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি সমর্থন জানাতে পারেন, তবে নিজেদের প্রকৃত রাজনৈতিক অবস্থান আড়াল করে নিরপেক্ষতার দাবি করা এবং পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন অবস্থান নেওয়া প্রশ্নবিদ্ধ।
পোস্টের শেষাংশে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বাংলাদেশে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চক্র চলতেই থাকবে, নাকি দল-মত নির্বিশেষে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে উঠবে।