1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দুর্গাপূজার ছুটিতে কক্সবাজারে ৬ লাখ পর্যটকের প্রত্যাশা, ৭০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং রাতের আঁধারে বগুড়ায় এনসিপির জেলা কার্যালয়ে আগুন রবীন্দ্রনাথের দেয়ালচিত্র মোছার চেষ্টা: আয়াশ ও রিমিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আদালতের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির ২,৯১০ মামলা, ডাম্পিং ৫৯১ গাড়ি ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৩ ডেঙ্গু ঠেকাতে সপ্তাহে দুই দিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এলপিজি ধর্মঘট নিয়ে সরকারের কঠোর হুঁশিয়ারি, পরে কর্মসূচি প্রত্যাহার ব্যবসায়ীদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ, তবু পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পাঁচ আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীর কাছ থেকে এলএনজি কেনার প্রস্তাবে সরকারের সম্মতি লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনে বিনিয়োগ করছে ওয়ালটন ও প্রাণ-আরএফএল

রবীন্দ্রনাথের দেয়ালচিত্র মোছার চেষ্টা: আয়াশ ও রিমিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আদালতের

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৬ জন দেখেছেন

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মোছার চেষ্টার ঘটনায় করা মামলায় রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সভাপতি আল নূর মোহাম্মদ আয়াশ ও মারজিয়া খন্দকার রিমিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রিমান্ড শেষে তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেন। এর আগে একই মামলায় গ্রেপ্তার সাকিবুল হাসান ও সুজন মিয়াকেও রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বুধবার আয়াশ ও রিমিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জামিন আবেদন নাকচ করেন এবং তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে ১১ অক্টোবর আদালত আয়াশের তিন দিন এবং রিমির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

একই মামলায় সাকিবুল হাসান ও সুজন মিয়াকে ১৩ অক্টোবর রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। ফলে মামলাটিতে গ্রেপ্তার চারজনকেই পৃথক সময়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

কী ঘটেছিল শিল্পকলা একাডেমির সামনে?

ঘটনার সূত্রপাত রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বিপরীত পাশের দেয়ালে আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিকে কেন্দ্র করে।

প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর ওই দেয়ালচিত্র মোছার চেষ্টার সময় পুলিশের সঙ্গে একদল তরুণের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। ঘটনাস্থলে এক নারীকে গ্রাফিতিতে কালো রং বা কালি লাগাতে দেখা যায়। পুলিশ তাঁকে বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আয়াশসহ চারজনকে আটক করা হয়।

এরপর শাহবাগ থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ আনা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে মামলায় আনা অভিযোগ এবং আদালতে প্রমাণিত অপরাধ এক বিষয় নয়। বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।

দেয়ালচিত্রটি নিয়ে কেন বিতর্ক?

শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির প্রতিকৃতি ও গ্রাফিতি আঁকা হয়েছিল। এসব চিত্রের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিও ছিল।

প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, গ্রাফিতি মোছার উদ্যোগের পেছনে সাংস্কৃতিক পরিচয়, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং ভারত-সম্পর্কিত আপত্তির প্রসঙ্গ উঠে আসে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়েও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

তবে এসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য বা অভিযোগ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ঘটনার পেছনে কার কী উদ্দেশ্য ছিল, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা জরুরি।

মামলার পরবর্তী কার্যক্রম

আদালত রিমান্ড শেষে দুই আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে একই মামলায় অন্য দুই আসামিকেও কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে পাঠানোর আদেশ মামলার চূড়ান্ত রায় নয়। তদন্ত, অভিযোগপত্র এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মামলার অভিযোগগুলো বিবেচিত হবে।

ঘটনাটি ঘিরে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, মতপ্রকাশ এবং জনপরিসরে শিল্পকর্মের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে মতভিন্নতা থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া এবং কোনো অভিযোগের বিচার আদালতের মাধ্যমে হওয়াই আইনি প্রক্রিয়ার মূলনীতি।

সংবাদ পোস্ট | সংবাদে সত্য, তথ্যে নির্ভরতা

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )