বুধবার (১৪ অক্টোবর) ডিএমপি নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর আটটি ট্রাফিক বিভাগে পরিচালিত অভিযানে মোট ২ হাজার ৯১০টি মামলা করা হয়েছে। বিভাগভিত্তিক মামলার সংখ্যা নিচে দেওয়া হলো—
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গুলশান ট্রাফিক বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৮২১টি মামলা হয়েছে। অন্যদিকে রমনা বিভাগে ১৩২টি মামলা হয়েছে, যা আট বিভাগের মধ্যে সর্বনিম্ন।
ডিএমপির প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গুলশান ট্রাফিক বিভাগে ৮২১টি মামলা হয়েছে। এই বিভাগে ২১টি বাস, ২৮টি ট্রাক, ৩৭টি কাভার্ড ভ্যান, ৮৪টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ২৭৫টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
মতিঝিল বিভাগে ৪২৬টি এবং উত্তরা বিভাগে ৪১৭টি মামলা হয়েছে। ওয়ারী বিভাগে ৪১৬টি মামলা করা হয়েছে। মিরপুর বিভাগে মামলার সংখ্যা ৩৫৬টি।
এ ছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ১৭৬টি এবং লালবাগ বিভাগে ১৬৬টি মামলা হয়েছে। রমনা বিভাগে ১৩২টি মামলা করা হয়েছে বলে ডিএমপির তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
ট্রাফিক আইন প্রয়োগের অংশ হিসেবে অভিযানে ৫৯১টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ৩৮৫টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে।
ডিএমপির প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হলেও প্রতিটি যানবাহনের ক্ষেত্রে ঠিক কোন ধরনের আইন লঙ্ঘন করা হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দেওয়া হয়নি।
তাই শুধু মোট মামলার সংখ্যা থেকে নির্দিষ্ট কোনো ধরনের ট্রাফিক অপরাধের ব্যাপকতা সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
রাজধানীর সড়কে যান চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ট্রাফিক আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে চালক ও সড়ক ব্যবহারকারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত স্থানে যানবাহন রাখা এবং সড়কে চলাচলের নিয়ম অনুসরণ করা যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে রাজধানীর যানজট পরিস্থিতিতে এসব অভিযানের সামগ্রিক প্রভাব নির্ধারণ করতে আরও তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রয়োজন।
তথ্যসূত্র: ডিএমপি নিউজ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
সংবাদ পোস্ট | সংবাদে সত্য, তথ্যে নির্ভরতা