বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক দুইবারের নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম পল্লবকে ঢাকায় গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিলেট ও বালাগঞ্জের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
রোববার ঢাকায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে। তার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিয়ানীবাজারসহ সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এক যৌথ প্রতিবাদে নেতৃবৃন্দ বলেন, আবুল কাশেম পল্লব দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি দুইবার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
প্রতিবাদকারীরা বলেন, আবুল কাশেম পল্লবের মতো একজন পরিচিত রাজনৈতিক নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধিকে গ্রেফতারের ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ। তারা এই গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
তারা আরও বলেন, পল্লব দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রেখেছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় উপস্থিতি এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে তিনি স্থানীয়ভাবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
নেতৃবৃন্দের দাবি, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা কোনো অভিযোগের কারণে একজন রাজনৈতিক নেতাকে হয়রানি বা অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা আবুল কাশেম পল্লবের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থাকলে তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানান এবং একই সঙ্গে তার দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।
আবুল কাশেম পল্লবের গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন—অ্যাডভোকেট শাহ ফরিদ আহমেদ, সহ-সভাপতি, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ; মতিউর রহমান শাহীন, উপদেষ্টা, বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহ-সভাপতি, যুক্তরাজ্য শেফিল্ড আওয়ামী লীগ; অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু, সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ; হারুনূর রশিদ, সাবেক সহ-সভাপতি, অবিভক্ত বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ; এবং অলিউর রহমান, বালাগঞ্জ প্রবাসী আওয়ামী লীগ পরিবার।
প্রতিবাদকারীরা বলেন, আবুল কাশেম পল্লবের গ্রেফতারের ঘটনায় তারা তার পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহকর্মী ও অনুসারীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন এবং অবিলম্বে তার মুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছেন।