1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কলকাতা থেকে দেশে আনা হলো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন এর মরদেহ আজই শেষ হচ্ছে দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদনের সময়, প্রার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা বায়ুদূষণে বিশ্বের ষষ্ঠ অবস্থানে ঢাকা, বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ আফগানিস্তানের বিপক্ষে হাসান মাহমুদের ইতিহাস, টেস্টে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে হ্যাটট্রিক আইপিইউ সম্মেলন শেষে দেশে ফিরলেন স্পিকার, আন্তর্জাতিক সংসদীয় কূটনীতিতে বাংলাদেশের নতুন অর্জন তুরস্ক সফর ও ওমরাহ শেষে দেশে ফিরলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, নিহত ১২; প্রাণ হারিয়েছেন দুই বাংলাদেশিও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩

মানবতাবিরোধী অপরাধে বাগেরহাটের সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৩১ জন দেখেছেন

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে বাগেরহাটের সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক  অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) এ রায় দেন।

এ মামলায় প্রসিকিউটর ছিলেন রানা দাশ গুপ্ত ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

গত ৯ নভেম্বর নয় আসামির বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু পলাতক দুই আসামির মৃত্যুর খবর আসায় তা পেছানো হয়েছিল। ওই দুজন হলেন, সুলতান আলী খান ও মনিরুজ্জামান হাওলাদার। সেটি নিশ্চিত হওয়ার পর রায়ের জন্য বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দিন ঠিক করা হয়।

সাত আসামির মধ্যে তিনজন কারাবন্দি। তারা হলেন, খান আকরাম হোসেন, শেখ মো. উকিল উদ্দিন ও মো. মকবুল মোল্লা।

আর পলাতক চারজন হলেন, খান আশরাফ আলী, রুস্তম আলী মোল্লা, শেখ ইদ্রিস ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল।

আসামিদের বিরুদ্ধে সাত অভিযোগ
এক নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ২৬ মে ১৫/২০ জন রাজাকার ও ২৫/৩০ জন পাকিস্তান দখলদার সেনাবাহিনীর সদস্যসহ বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানাধীন চাপড়ী ও তেলিগাতীতে নিরীহ নিরস্ত্র মুক্তিকামী মানুষদের ওপর অবৈধভাবে হামলা চালিয়ে ৪০/৫০টি বাড়ির সমস্ত মালামাল লুণ্ঠন করে, বাড়িঘর অগ্নিসংযোগে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে, দুইজন নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করে এবং ১০ জন নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের মানুষকে গুলি করে হত্যা করে।

দুই নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ৭ জুলাই আসামিরা বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন হাজরাখালী ও বৈখালী রামনগরে হামলা চালিয়ে অবৈধভাবে নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের চারজন লোককে আটক ও অপহরণ করে আবাদের খালের ব্রিজে হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেয়।

তিন নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৩ নভেম্বর বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানাধীন ঢুলিগাতী গ্রামে হামলা চালিয়ে দুইজন নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাকে অবৈধ আটক, নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা করে।

চার নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৭ নভেস্বর বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন বিলকুল ও বিছট গ্রামে হামলা চালিয়ে চারজন নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের লোককে আটক ও অপহরণ করে কাঠালতলা ব্রিজে এনে নির্যাতন করার পর গুলি করে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।

পাঁচ নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন বিলকুল গ্রাম থেকে নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আলী নকীবকে অন্যায় আটক ও অপহরণ করে মোড়লগঞ্জ থানার দৈবজ্ঞহাটির গরুর হাটির ব্রিজের উপরে নিয়ে নির্যাতন করার পর গুলি করে হত্যা করে।

ছয় নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৬ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন উদানখালী গ্রামে হামলা চালিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের নিরীহ নিরস্ত্র উকিল উদ্দিন মাঝিকে অবৈধভাবে আটক করে হত্যা করে এবং তার মেয়ে তাসলিমাকে অবৈধভাবে আটক ও অপহরণ করে কচুয়া রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে আসে।  কচুয়া রাজাকার ক্যাম্প ও আশেপাশের রাজাকার ক্যাম্পে দীর্ঘদিন অবৈধভাবে সলিমাসহ চারজনকে আটকিয়ে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ১৬ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ দখলদারমুক্ত হলে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার ক্যাম্প তল্লাশি করে ভিকটিম তাসলিমাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেন।

সাত নম্বর অভিযোগ: বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন গজালিয়া বাজারে হামলা চালিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরীহ নিরস্ত্র শ্রীধাম কর্মকার ও তার স্ত্রী কমলা রানী কর্মকারকে অবৈধভাবে আটক করে নির্যাতন করতে থাকে। আসামিরা শ্রীধাম কর্মকারকে হত্যা করে কমলা রানী কর্মকারকে জোরপূবক অপহরণ করে কচুয়া রাজাকার ক্যাম্পে এনে আটকিয়ে রাখে। উল্লিখিত আসামিসহ কচুয়া রাজাকার ক্যাম্প ও আশেপাশের রাজাকার ক্যাম্পে কমলা রানী কর্মকারসহ আটককৃত অন্যান্য চারজনকে দীর্ঘদিন রাজাকার ক্যাম্পে আটকিয়ে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। প্রায় এক মাস শারীরিক নির্যাতনের পর কমলা রানী কর্মকার অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )