নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় তাকে আদালতে হাজির করা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম এ আদেশ দেন।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আখতারুজ্জামান সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে সময়ের স্বল্পতার কারণে ওইদিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। আদালত এ বিষয়ে পরবর্তী দিনের জন্য শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
এর আগে বুধবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে র্যাব-১৪ এর একটি দল অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। পরে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, মদন উপজেলার একটি কওমি মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ফলে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর ওই এলাকার একটি মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। মামলার পর থেকেই তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান।