1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: রাষ্ট্রপতি ১৫ বছর পর আবার একসঙ্গে শাহরুখ-কারিনা, ‘কিং’-এ থাকছে বিশেষ চমক ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ মৃত্যু, চলতি বছরে সর্বোচ্চ হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১৩৪ আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়, তবে দায় স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা ডলারের দাম বেড়ে ১২৩ টাকা ২০ পয়সা দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার ১৬৮ পূজামণ্ডপে ডিএসসিসির অনুদান একই স্থানে পরপর দুই দুর্ঘটনা, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিহত ১ চট্টগ্রামের ৮ গুদামে ১,৮০০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড ‘ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক পরেছি, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’—ভিডিও ভাইরাল, এএসআই প্রত্যাহার

ব্যবসায়ীদের থেকে সুবিধা নিচ্ছেন অসাধু কর্মকর্তারা, বিপাকে সরকার

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ১১৭ জন দেখেছেন

খাদ্য বিভাগের মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একটি অংশ অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। অসাধু কর্মকর্তারা এ উপায়ে লাভবান হলেও খাদ্যদ্রব্যের বাজার অস্থিরতায় বিপাকে পড়ছে সরকার, পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পকেট কেটে রাতারাতি ধনিক বণিকে পরিনত হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক একদিন পর থেকে হঠাৎ করে চালের দাম প্রকারভেদে কেজিতে ২ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। ভরা মৌসুমে চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে দেশে হইচই পড়ে যায়। মন্ত্রিসভার শপথের আগেই অসাধু ব্যবসায়ীরা এ দুষ্কর্ম করে। দায়িত্বভার গ্রহণ করেই খাদ্যমন্ত্রী ও সচিব মিলমালিকদের (মিলারদের) খাদ্য অধিদপ্তরে ডেকে পাঠান। ভরা মৌসুমে চালের মূল্যবৃদ্ধির কারণ জানতে চান। কিন্তু চালকল মালিকরা কোনো ধরনের সদুত্তর দিতে না পারায় ৪ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে তাদের কাছ থেকে চালের দাম কমানোর ওয়াদা আদায় করেন। কিন্তু ওয়াদা অনুযায়ী বাজারে চালের দাম না কমায় খাদ্য মন্ত্রণালয় বিভাগীয় এবং জেলা পর্যায়ে যথাক্রমে বাজার তদারকি টিম ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

এতে চালের বাজার অস্থিরতা তৈরির সঙ্গে জড়িতদের আসল চেহারা ধরা পড়ে খাদ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে। সে কারণেই ২৯ ফেব্রুয়ারি আরসি ফুড এবং ডিসি ফুডদের ডেকে তাদের অধিক্ষেত্রে যেসব সমস্যা ধরা পড়েছে তা তাদের সামনে তুলে ধরে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। আগামী দিনে যাতে অতীতে করা ভুল ও অপকর্ম না করে সে বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হবে। তারপরও যদি কেউ আগের মতোই অপকর্মে জড়ান তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পরবর্তী ধাপে ডাকা হবে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও পরিদর্শকদের।

 

কারণ খাদ্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের অসাধু কর্মকর্তাদের অতীত কর্মরেকর্ড সন্তোষজনক নয়। তারা সততা ও আন্তরিকতা সঙ্গে পরিচ্ছন্ন মন নিয়ে দায়িত্বপালন না করলে শুধু পরিপত্র দিয়ে খাদ্য মজুতদারি, বাজারের স্থিতিশীলতা এবং স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে না। সরকারি পদক্ষেপ বাস্তবায়নে মাঠের কর্মকর্তাদের এবার একান্তভাবে ঢাকায় ডাকছেন খাদ্যমন্ত্রী।

 

প্রাথমিকভাবে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তাদের (আরসি-ফুড) এবং জেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের (ডিসি-ফুড) নিয়ে খাদ্য ভবনে বৈঠক করবেন খাদ্যমন্ত্রী ও সচিব। এরপর পৃথকভাবে ডাকা হবে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (টিসিএফ) এবং খাদ্য পরিদর্শকদের। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার  বলেন, তাদের মাঠের সমস্যা নিয়ে কথা বলার জন্য ডাকা হচ্ছে। আগে মিটিং হতে দিন। মিটিংয়ের পরই জানানো হবে কেন মিটিং ডাকা হয়েছে।

 

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শস্যের মজুতদারির সঙ্গে খাদ্য বিভাগের মাঠ প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তাদের নিবিড় সহায়তা ছাড়া অসাধু ব্যবসায়ীদের মজুতদারির কোনো সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ও খাদ্যমন্ত্রীর দৌড়ঝাঁপ কিছুতেই তারা দুষ্কর্ম থেকে সংশোধন হচ্ছে না। তারা এক ব্যবসায়ীর নামে একাধিক ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ইস্যু করেন। কোন লাইসেন্সের অনুকূলে কোন গুদামে কী পরিমাণ ধান-চাল মজুত রেখেছে তা সঠিকভাবে দেখভাল করেন না। নিয়ম মেনে প্রতিটি গুদাম ও মিলের বিপরীতে যে পরিমাণ ধান-চাল মজুত করা হলো তা সঠিক আছে কি না তা পরখ করে দেখেন না। আবার দেখা গেছে কাগজেপত্রে ধান ও চালের যে পরিমাণ উল্লেখ আছে বাস্তবে তার চেয়ে বেশি মজুত করছেন ব্যবসায়ীরা। এসব চিত্র ধরা পড়েছে গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্য বিভাগের অভিযানে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা উদাহরণ দিয়ে বলেন, ধরুন একটি ফুড গ্রেইন লাইসেন্সের বিপরীতে ৫০ টন ধান কেনার সুযোগ রয়েছে। এই ৫০ টন ধান কোথায় রাখবে সে গুদামের ধারণ ক্ষমতা কত। কোন মিলে ধানগুলো চালের পরিণত করবে এবং মিলের হাস্কিং ক্যাপাসিটি কত ইত্যাদি দেখভালের দায়িত্ব মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের। এমনকি যে মিলে ধান ভাঙানো হয় ওই মিলের বিদ্যুৎ বিলও চেক করে দেখার দায়িত্ব তাদের। কোনো মিল মালিক বলল, তার মিলে দৈনিক ১০ টন ধান ভাঙানোর ক্ষমতা বা সক্ষমতা আছে। সে ক্ষেত্রে খাদ্য কর্মকর্তারা মিল চালু করে দেখবেন প্রকৃত পক্ষে তার কথার সত্যতা আছে কি না। কত সময় মিল চললে ১০ টন ধান ভাঙানো যায়। ওই সময়ে কত ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে এবং কত টাকা বিল এসেছে তা দেখার দায়িত্বও তাদের। কিন্তু তারা এসব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন না বলে খোদ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )