1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাতকানিয়ায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-মেয়ের মৃত্যু, বাসে আগুন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সীমালঙ্ঘনের সুযোগ নেই, প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়বিচারের আহ্বান শায়েখ সাইফুল্লাহর মাদ্রাসায় শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আলেম সমাজের নীরবতা নিয়ে আসিফ নজরুলের সমালোচনা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ ড্র, ব্যাটে-বলে নজর কাড়লেন তরুণেরা বিমানের কার্পেটের নিচে জীবন্ত সাপ, বাতিল জাপানের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট কক্সবাজারের তারকা হোটেলে আগুন, প্রাণভয়ে সৈকতে ছুটলেন ৩০০ পর্যটক! জনসমক্ষে না এলেও সুস্থ আছেন মোজতবা খামেনি, দাবি ইরানি কূটনীতিকের সাজেক থেকে ফেরার পথে গোলাগুলি, আতঙ্কে ২,৯৩৩ পর্যটক ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই থেকে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক পরিবর্তনের উদ্যোগ এনসিটিবির জ্বালানি আমদানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশ–আলজেরিয়ার নতুন উদ্যোগ

প্রোটিয়াদের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে আফগানদের বিদায়

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শনিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৩৭ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে আফগানিস্তান। যদিও বিদায় অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। কারণ, প্রোটিয়াদের বিপক্ষে জয় পেলেও সেখানে নেট-রানের যে হিসেব-নিকেশ দাঁড়ায়, তাতে আফগানদের জন্য মাঠের খেলায় সেমিফাইনাল খেলা ছিল ‘অসম্ভব’। তবে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে দলটি। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার মতো দলকে হারানোর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসকেও হারায় নবী-রশিদরা। কিন্তু প্রোটিয়াদের ব্যাটিংয়ের সামনে আর পেরে উঠেনি তারা। ১৫ বল থাকতেই আফগানদের ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিতে পা রাখলো প্রোটিয়ারা।

২৪৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার বাভুমা ও ডি কক। প্রথম দশ ওভারেই বিনা উইকেটে ৫৭ রান তোলে প্রোটিয়ারা। নাভিন-উল-হক, মুজিব, নবী, ওমরজাইরা তেমন সুবিধাই করতে পারেনি প্রোটিয়া দুই ওপেনারের কাছে। তবে ওপেনিং জুটিকে বেশিদূর আগাতে দেয়নি আফগানরা। ১১তম ওভারের শেষ বলেই আঘাত হানেন মুজিব। ২৮ বলে ২৩ রান করা বাভুমাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন এই রিস্ট স্পিনার। বাভুমার বিদায়ের পর ডি ককও বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি। ১৩তম ওভারের প্রথম বলেই নবীর করা বল ডি ককের পায়ে লাগলে আম্পায়ার নট আউটের সিদ্ধান্ত দেন। তবে আফগানিস্তান রিভিউ নিয়ে ডি কককে লেগবিফোরের ফাঁদে ফেলে। ৪৭ বলে ৪১ রান করে ডি ককের বিদায়ে কিছুটা বিপদে পড়ে প্রোটিয়ারা।

এরপর ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন ভ্যান ডার ডুসেন ও মারকরাম। এই দুই ব্যাটার ৬০ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তুলেন। দলের রান যখন দুই উইকেটে ১১৬ তখন এই জুটি ভাঙেন রশিদ খান। ২৫ রান করা মারকরামকে বিদায় করেন এই লেগ স্পিনার। এরপর ক্লাসেন নেমেও বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। তিনি মাত্র ১০ রান করে রশিদ খানের বলে বোল্ড হন।

১৩৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে আবার বিপদে পড়ে প্রোটিয়ারা। এক প্রান্ত তখনও আগলে রেখে নিজের ক্যারিয়ারের ১৪তম ওয়ানডে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন ডুসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে তার ৪৩ রানের জুটিটি ভাঙেন মোহাম্মদ নবী। ২৪ রান করা মিলারের বিদায়ে আবারো জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে আফগানিস্তান। এরপর অলরাউন্ডার ফেলুকায়ো ও ডুসেন চেষ্টা করেন প্রোটিয়াদের জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে। ফেলুকায়োর ৩৭ বলে ৩৯ রানের ক্যামিওতে শেষের দিকে আর আফগান বোলাররা পাত্তা পায়নি। ডুসেন অপরাজিত থাকেন ৭৬ রানে।

আফগানদের হয়ে রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবী দুটি করে উইকেট পান।

এর আগে, আহমেদাবাদে ওমরজাইয়ের ইনিংসে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াকু পুঁজি পেয়েছে তার দল আফগানিস্তান। শেষ বলে অলআউট হওয়ার আগে তুলেছে ২৪৪ রান।

বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। শুরুটা ভালোই ছিল। উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রান করেন দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। দলীয় ৪১ রানের মাথায় আফগানদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন কেশভ মহারাজ। এরপর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে আফগানদের রক্ষণের দেয়াল। তিন ওভারে ৪ রান তুলতেই তিনটি উইকেট হারায় আফগানরা।

ইনিংসের নবম ওভারে কেশব মহারাজের বলে হেনরিখ ক্লাসেনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ (২২ বলে ২৫)। এর পরের ওভারে ৩০ বলে ১৮ করে কোয়েতজির বলে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের হাতে ধরা পড়েন জাদরান। ১১তম ওভারে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরত যান অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহিদি। মহারাজের টানা দ্বিতীয় ওভারে ডি ককের ক্যাচ হন তিনি। এরপর রহমত শাহ (৪৬ বলে ২৬) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। ১১৬ রানে ৬টি আর ১৭০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে দুইশর আগে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল তারা। কিন্তু ওমরজাই লড়াই করে দলকে নিয়ে যান সম্মানজনক অবস্থানে।

প্রোটিয়া পেসার জেরাল্ড কোয়েটজি ৪৪ রানে নেন ৪টি উইকেট। দুটি করে উইকেট শিকার লুঙ্গি এনগিদি আর কেশভ মহারাজের।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )