রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের মেছনিকুন্ডা এলাকায় মুরগীর বিষ্ঠার গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। অভিযোগ উঠেছে , জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিবেশ সম্পর্কিত আইন-শৃঙ্খলা তোয়াক্কা না করেই অপরিকল্পিতভাবে মুরগির খামার স্থাপন করেছেন আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামে স্থানীয় এক ব্যাক্তি । এতে করে খামারে থাকা মুরগীর বিষ্ঠার গন্ধে বাড়িতে থাকতে পারছেন না এলাকাবাসী।
এবিষয়ে উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রসাশক ও বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদাল এবং রংপুরের বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে খামার মালিক কে অনেকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হলেও কোন জবাব দেননি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রামটিতে প্রায় ৫০টি পরিবারের বসবাস।
এসময় কথা হয় মেছনিকুন্ডা এলাকায় বাসিন্দা শামিম মিয়াসহ কয়েক জন স্থানীয় ব্যাক্তির সঙ্গে তারা জানান, মুরগীর খামারটির কারণে আমরা ঠিক মতো ছোট বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকতে পারি না। এলাকাবাসি খামারটি সরানোর কথা বললেই এলাকার লোজনের নামে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা মামলা দেয়ার হুমকি দেন আনোয়ার। সরকারি লোকজন তাকে অনেক বার খামার সরানোর নির্দেশ দিলেও সে খামার সরায়নি। আমরা জানতে চাই আনেয়ারের খুটির জোর কেথায়। কেন প্রসাশনও পাচ্ছে না তার সাথে।
মুরগীর খামারটি সরানোর বিষয়ে খামার মালিকের ছেলে জোবায়দুল ইসলামের কাছে সাংবাদিক জানতে চাইলে, এসময় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, মুরগীর খামার কি আমি সরকারি লোকের বাপের টাকায় স্থাপন করেছি যে সরকারি লোক সরাতে বললেই আমি খামার সরাবো। ওদের যা আছে করুক আমি আমার জমিতে খামার করেছি।
এবিষয় রংপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক বিজন কুমার রায় বলেন, আমরা খামার মালিক কে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তারা যদি সাত দিনের মধ্যে জবাব না দেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।