অমর্ত্য সেনকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে যে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়া হয়েছে তার প্রতিবাদে এবার মানববন্ধন করেছে ‘সামাজিক মর্যাদা রক্ষা কমিটি’। সেই সাথে একটি “রক্তকরবী” নাটকের মধ্য দিয়েও হেনস্থার প্রতিবাদ জানিয়েছে তারা।
কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে নাট্যকর্মী, সমাজকর্মী, অধ্যাপক, শিক্ষাবিদেরা অংশ নেন এদিনের মানববন্ধন কর্মসূচিতে। উপস্থিত ছিলেন শান্তিনিকেতনের আশ্রমিকেরাও।
শুক্রবার ‘প্রতীচী’ বাড়ি সংলগ্ন মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা দিয়ে গানের তালে তালে বিশ্বভারতীর সমবায় ব্যাংক পর্যন্ত পদযাত্রা করেন ‘সামাজিক মর্যাদা রক্ষা কমিটি’র সদস্যরা। এসময় প্রায় সবার হাতেই ছিল নানা পোস্টার, প্ল্যাকার্ড। পরে রাস্তার উপর ‘রক্তকরবী’ নাটক মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদ করেন নাট্যকর্মীরা। পথনাটিকার নন্দিনী চরিত্রে অভিনয় করেন চৈতী ঘোষাল।
এই কর্মসূচির আয়োজক ডা: অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, “আর কোন উপায় ছিল না। কয়েকদিন ধরে যে ভাষায়, যে ভাবে, যে ভঙ্গিমায় শ্রদ্ধেয় অমর্ত্য সেনকে অপমান করছে তা মেনে নেওয়া যায় না। তাই প্রতিবাদে সামিল হয়েছি।”
এদিকে পাল্টা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ কর্মকর্তা মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা আদালতকে সম্মান দেই। ম্যাজিস্ট্রেট অমর্ত্য সেনের প্রতীচী বাড়ির সামনে ১৪৫ ধারা জারি করেছে। তা এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। সেই ধারা লঙ্ঘন করে কি করে এত মানুষ জমায়েত হয়ে কর্মসূচি করতে পারে? তার প্রশ্ন- আইন কি শুধু বিশ্বভারতীর জন্যই?