বেনাপোল স্থলবন্দরে মরদেহ হস্তান্তরের পর সেটি ঢাকার উদ্দেশে নেওয়ার কথা জানানো হয়। তবে ঢাকায় পৌঁছানোর পর জানাজা ও দাফনের নির্দিষ্ট সময় এবং স্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া যায় নি।রোটনের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে। তাঁর দাফন কোথায় এবং কখন সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিতি পান। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে তাঁর ভূমিকার কারণে সংগঠনটির সাবেক নেতাকর্মীদের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ ছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন রোটন। চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর।
তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি আলোচনায় আসে। তবে তাঁর মৃত্যুতে কারা শোক প্রকাশ করেছেন বা কোথায় শোকসভা আয়োজন করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা প্রয়োজন।

অ্যাম্বুলেন্স এর ভিতর তাঁর নিথর মরদহ
রোটনের মৃত্যু শুধু একজন সাবেক রাজনৈতিক নেতার মৃত্যুর খবর নয়; এটি বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির একটি নির্দিষ্ট সময়ের নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনাও।
২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করায় সংগঠনটির ইতিহাস ও তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আলোচনায় তাঁর নাম উঠে আসে।
তবে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পরিচিতি, সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি। একইভাবে তাঁর চিকিৎসা, মৃত্যুর পরিস্থিতি ও মরদেহ দেশে ফেরানোর বিষয়ে পরিবারের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
সংবাদ পোস্ট | নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা