1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সুন্দরবনে বিষ শনাক্তকরণ ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা, অর্থায়নে বিশ্বব্যাংক কোটি টাকার ক্রিস্টাল মেথ আইস জব্দ, পালিয়ে যায় সন্দেহভাজনরা বিসিবির কাভার্ডভ্যান থেকে ক্রিকেটারদের লাগেজ চুরি, উদ্ধার ৮টি; আটক ৪ দুর্গাপূজার ছুটিতে কক্সবাজারে ৬ লাখ পর্যটকের সমাগমের প্রত্যাশা, চলবে বিশেষ ট্রেন দুর্গাপূজার ছুটিতে কক্সবাজারে ৬ লাখ পর্যটকের প্রত্যাশা, ৭০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং রাতের আঁধারে বগুড়ায় এনসিপির জেলা কার্যালয়ে আগুন রবীন্দ্রনাথের দেয়ালচিত্র মোছার চেষ্টা: আয়াশ ও রিমিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আদালতের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির ২,৯১০ মামলা, ডাম্পিং ৫৯১ গাড়ি ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৩ ডেঙ্গু ঠেকাতে সপ্তাহে দুই দিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আগাম ফুলকপি চাষে ঘুরছে ভাগ্যের চাকা

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১০৭ জন দেখেছেন

অল্প সময়ে অধিক লাভজনক শীতের সবজি আগাম ফুলকপি চাষ করে অনেক কৃষক ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছেন। আর আগাম এই ফুলকপির চাহিদা ও বাজার দুটোই ভালো থাকার কারণে এর চাষের পরিধি বাড়ছেই। এতে কৃষকও লাভবান হচ্ছে। বাজারে আসা ফুলকপি-বাঁধাকপি নভেম্বর মাসে ব্যাপক চাহিদা থাকায় আশানুরূপ দামে বিক্রি হওয়ায় পুঁজির পাশাপাশি দ্বিগুণ লাভের আশা করেন কৃষক। তাই স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে এখন ফুলকপির মৌসুম অর্থাৎ শীত মৌসুমের প্রধান সবজি ফুলকপি। আগাম ফুলকপি চাষ করে বীরগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাহারোল মোড়ের কৃষক মামুন ও মিলনের ঘুরেছে ভাগ্যের চাকা। বাজারে ভালো দাম এবং ভালো ফলনে আগাম ফুলকপি চাষ করে ব্যাপক লাভবান হয়েছেন মামুন ও মিলন। গত বছরের তুলনায় বিভিন্ন এলাকায় এবার দ্বিগুণ ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ হয়েছে। বাজারে চাহিদা থাকায়, অল্প সময়ে অধিক লাভ হয়েছে, ফলে আগামীতে এর পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।

বীরগঞ্জের কৃষক মিলন জানান, আমরা স্থানীয় কৃষি খামার মালিক হতে ফুলকপি জাত-মার্বেল ও আর্লি স্পেশাল বীজ সংগ্রহ করে ৫ বিঘা জমি চাষ করি। চারা রোপণের ৪৫-৫০দিন পর থেকে খেতের ফুলকপি-বাঁধাকপি বিক্রয় শুরু করেছি। পাইকারি প্রতিকেজি ফুলকপি ৩৫টাকা কেজি দরে ৩লাখ ৮৪ হাজার টাকার ফুলকপি বিক্রি করেছেন। তবে এসব চাষাবাদে সার, বীজ, বালাইনাশক এবং শ্রমিক খরচসহ মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ২লাখ টাকা। প্রকৃতি বৈরী না হলে এবং বাজার দর ভালো থাকলে আরও ৩ লাখ টাকার ফুলকপি বিক্রি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )