বিমানবন্দর থেকে এখন সরাসরি চলে আসা যাবে ফার্মগেট। সে ক্ষেত্রে বাধাহীন এ পথটার এ গতি যেকোনো র্যামের পথ ধরলেই নেমে আসবে চিরচেনা ঢাকার তালে। তাই নামার ক্ষেত্রে প্রতিটি র্যামে বাড়তি গুরুত্ব দেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, র্যাম আর নিচের সড়কের সংযোগটা করতে হবে নির্বিঘ্ন আর নিয়ন্ত্রিত।
বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ কাজী সাইফুন নেওয়াজ বলছেন, ওভারস্পিড মনিটরিং করা খুব প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রতিটি র্যামে বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে, না হলে যানজট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মাথায় রাখতে হবে যেসব গাড়ি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উঠবে না, তারাও যখন ওই র্যাম্পের মুখে জড়ো হবে, তখন যানজট তৈরি হতে পারে।
সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, ওপর আর নিচের গতিতে সমন্বয় রাখতেই ৮০ কিলোমিটার গতিতে চলার কথা থাকলেও আংশিক এ পথে তা বেঁধে দেয়া হয়েছে ৬০ কিলোমিটারে। র্যামগুলোতে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সমন্বয় করা হচ্ছে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে।
সেতুসচিব মো. মনজুর হোসেন বলেন, পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। কেউ যদি মনে করে থাকে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে এ পথ পার হয়ে যাবে, তা হবে না। ৬০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে কোনো গাড়ি এখানে চলতে পারবে না।
তবে এ পথের শতভাগ সুফল পেতে অপেক্ষা করতে হবে এর শেষ প্রান্ত অর্থাৎ কুতুবখালী পর্যন্ত চালু হওয়া অবধি।