1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে উত্তাল চুয়েট, সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সোয়াল বিদায়ের সুরে জাতিসংঘ প্রধান গুতেরেস, আলোচনায় গাজা উপত্যকা, এআই ও নিরাপত্তা পরিষদ রাতে ঘরে ঘুমিয়েছিল মাদ্রাসাছাত্র, সকালে ধান ক্ষেতের পাশে মরদেহ যাদের কাছে ধানের শীষে ভোট চেয়েছি, তাদের কাছে মাফ চাই’ পোস্ট দেয়া ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সফল করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান শাহ ফরিদ আহমেদের ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ জ্বালানি নিয়ে পোস্ট করায় পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ঝোপে মিলল ৮ বছরের শিশুর মরদেহ ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই

সৌদিতে নিহত রাজশাহীর ৪ জনের বাড়িতে শোকের মাতম

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩
  • ১০৯ জন দেখেছেন

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বড় মাধাইমুরি গ্রামের ফিরোজ আলী সরদার তিন বছর আগে সৌদি আরবে যান। এখানে তার মা, স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। সেখানেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে নেমে আসে শোকের ছায়া।

সৌদি আরবের মদিনার আল খলিল এলাকার একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে চারজনই রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে তিনজনই উপজেলার বরাইপাড়া গ্রামের।

নিহতরা হলেন, বারইপাড়া গ্রামের জফির উদ্দিনের ছেলে রুবেল হোসাইন (পাসপোর্ট নম্বর : বিসি ০২৩৭০৫৫), জমিরের ছেলে মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম (পাসপোর্ট নম্বর : এই ৬৩২৬৮৪১), শাহাদাত হোসাইনের ছেলে আরিফ (ইকামা নম্বর : ২৫৩৫১৭৬৩৩৯) ও বড় মাধাইমুরি এলাকার আনিসুর রহমানের ছেলে ফিরোজ আলী সরদার (পাসপোর্ট নম্বর : ইই ০৫৮১২৭৪)। তারা কেউ ৬ মাস আগে, কেউ আট বছর আগে সৌদিতে গেছিলেন। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তাদের বাড়িতে বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

শনিবার সরেজমিনে নিহত ফিরোজের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় সেখানে চলছে স্বজন ও প্রতিবেশীদের শোকের মাতম। সবাই বাকরুদ্ধ। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। তারা ঘটনার শোনার পর থেকে কাঁদছেন।

আরিফের বাবা শাহাদাত হোসাইন বলেন, সর্বশেষ বৃহস্পতিবার তার ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভালো আছে বলে জানিয়েছিলেন। তিনি জানান, ৬ মাস আগে তার ছেলে সৌদিতে গিয়েছিল। তিনি ছেলের লাশ ফেরৎ চান। তিনি তার ছেলের লাশ নিজ এলাকায় দাফন করতে চান।

নিহত রুবেল হোসাইনের বাবা জফির উদ্দিন ছেলেকে হারিয়ে অস্বাভাবিক হয়ে গেছেন। এ দুর্ঘটনা মানতেই পারছেন না। তিনি বলেন, শুক্রবার ঘটনার পরপরই তারা মৃত্যুর খবর পেয়েছিলেন। তবে নিশ্চিত হতে পারেননি। শনিবার সকালে সেখানে থেকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সাজেদুল ইসলাম আট বছর ধরে সৌদি আরবে আছেন। তিনিও মারা গেছেন। তারা এক সঙ্গে থাকতেন। এদের হাত ধরে একই কোম্পানিতে চাকরি নিয়েছিলেন একই গ্রামের শাহাদত হোসাইনের ছেলে আরিফ। ৬ মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন। এর মধ্যে লাশ হলেন তিনি।

উপজেলার যোগিপাড়া ইউনিয়নের বড় মাধাইমুড়ি গ্রামের ফিরোজ আলী সরদার (৩৯) তিন বছর আগে গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। বাবা আনিছার রহমান বলেন, ছেলে কিছু টাকা জমিয়ে এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।

এদিকে ঘটনার পর জেলা প্রশাসন থেকে তাদের খোঁজ খবর নেওয়া হয়েছে। রাজশাহী জেলা প্রশাসকের হয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী শনিবার নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তারা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছেন।

সহকারী কমিশনার সুমন চৌধুরী জানান, সরকারিভাবে তাদের পরিবারের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে তাদের কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )