1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মেসির বিদায়ে আবেগঘন বার্তা রোনালদোর, দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বীকে জানালেন শ্রদ্ধা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে দুই ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা সড়ক পরিবহন খাতের চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধের আহ্বান রিজভীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও যাচাই না করে শেয়ার নয় তানজিদের ঝোড়ো ৮৩ রানের পর ধস, প্রথম দিনে ৩১৭ রানে ৮ উইকেট হারাল বাংলাদেশ এক বছরের মধ্যে নিজস্ব এআই অবকাঠামো চালুর পরিকল্পনা বাংলাদেশের, গুরুত্ব পাবে বাংলা ভাষার প্রযুক্তি গুজবনির্ভর শেয়ার লেনদেন ঠেকাতে নতুন বিধিমালা করছে বিএসইসি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি, শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভি পিল্লাই সেপ্টেম্বরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফের সংকোচন, পিএমআই নেমে ৪৮.৬ জ্বালানি আমদানিতে ৩১০ কোটি ডলারের ঋণ নিশ্চিত, সুদের হার প্রায় ৫.৩৮ শতাংশ

এক যুগ ধরে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে অভিনব কায়দায় ডাকাতি

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০২৩
  • ১০৯ জন দেখেছেন

এক সময় ডিবির সোর্স হিসেবে কাজ করতেন শহিদুল ইসলাম মাঝি অরফে শহিদ মাঝি। ২০১২ সালে নিজেই একটি ডাকাত দল গড়ে তোলেন। এরপর প্রায় এক যুগ ধরে শহিদ মাঝি ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে ডাকাতি করে আসছিল। এ পর্যন্ত ডাকাতির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ৭টি মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১১ জুলাই দুপুরে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, সোমবার ১০ জুলাই গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও ঢাকা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সম্প্রতি রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার একটি ডাকাতির মামলায় শহিদ মাঝিকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দো (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে ডাকাত শহিদ মাঝির দলের মোট ৭ জন ও অপর একটি ডাকাত দলের আরো ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে দুই দলের সদস্যরা একে অপরের পরিচিত।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- দলনেতা মো. শহিদুল ইসলাম মাঝি ওরফে শহিদ মাঝি, শ্রী সাগর চন্দ্র মালি, শাহ আলম হাওলাদার, মো. কামরুল ইসলাম অরফে রমিজ তালুকদার, মো. মাকসুদুল মোমিন অরফে শামীম, মো. হাসান, মো. নুরুল ইসলাম, মো. খলিলুর রহমান, মো. আকরাম হোসেন, মো. দ্বীন ইসলাম অরফে কাউছার আহম্মেদ, মো. ইলিয়াছ আহম্মেদ অরফে নিরব, মো. ফরহাদ আলী, মো. রিয়াজ হোসেন হাওলাদার অরফে রিয়াজুল, মো. শফিকুল ইসলাম লিটন, মো. সেরাজুল ইসলাম, মো. জহিরুল ইসলাম পিন্টু। তাদের কাছ থেকে ৩০ টি মোবাইল ফোন, ১টি মাইক্রোবাস, ডিবি জ্যাকেট, হ্যান্ডকাপ ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, শহিদ মাঝি এক সময় ডিবির সোর্স হিসেবে কাজ করতো। ২০১২ সালে সে অন্যদের বুঝিয়ে ডাকাতদল তৈরি করে। তার দলে ১০ জন সদস্য রয়েছে। আমরা ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। অন্যদের নাম পরিচয় পেয়েছি, তাদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থানার একটি মামলার তদন্তে শহিদ মাঝি ও তার দলের সদস্যদের গ্রেপ্তার করি। এই মামলার তদন্তকালে ৩০০ ফিট অস্ট্রেলিয়ান স্কুলের সামনে থেকে আরেকটি গ্রুপের ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মানি এক্সচেঞ্জ ও ব্যাংক এলাকায় ডাকাতদের নজর

ডিবি জানিয়েছে, ডিবি পরিচয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা তারা পারস্পরিক যোগসাজসে মানি এক্সচেঞ্জ ও ব্যাংক এলাকায় বিশেষ করে মতিঝিল, পল্টন, ধানমন্ডি ও গুলশান থেকে কোন ব্যক্তি টাকা নিয়ে বের হওয়ার সময় তাদের টার্গেটকে ফলো করে। ২-৩ জন মোটর সাইকেল নিয়ে টার্গেটের পিছু নেয়। পথে সুবিধাজনক স্থানে মাইক্রোবাস নিয়ে তাদের অগ্রগামী টিম প্রস্তুত থাকে। মোটরসাইকেল টিমের তথ্যমতে সুবিধাজনক জায়গায় মাইক্রোবাস এসে টার্গেটকে গতিরোধ করে ভিকটিমকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নেয় এবং ভিকটিমের কাছ থেকে সর্বস্ব লুঠিয়ে নিয়ে নির্জন স্থানে ফেলে যায়।

যে মামলায় গ্রেপ্তার হয় শহিদ মাঝি

ডিবি জানায়, গত ১৭ জুন আব্দুল আজিজ পল্টন থেকে ১৩ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে খিলক্ষেতের বাসার যাচ্ছিলেন। সন্ধ্যা ৮টার দিকে জিয়া কলোনী এমপি চেকপোষ্টের সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন ব্যক্তি মাইক্রোবাসের মাধ্যমে তার ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।

এরপর অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন আসামী ডিবির পোশাক পরা অবস্থায় এবং ডিবি পরিচয়ে আজিজকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নেয়। হাত, পা ও চোখ বেধে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার সাথে থাকা কাধ ব্যাগে ১৩ লাখ টাকা, মানিব্যাগে থাকা ১৯ হাজার টাকা, ৩টি মোবাইল ফোন এবং তার বিকাশে এজেন্ট নাম্বার পিন কোড জেনে ৩৭ হাজার টাকা তুলে নিয়ে নেয়। পরে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করে রাত ১০ টার দিকে রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার অন্তর্গত চরপাড়া সাকিনস্থ রাস্তার পাশে ফাঁকা জায়গায় ফেলে যায়। এঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন আজিজ।

ডিবি গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিম ঘটনা তদন্ত করে ডাকাত দলটিকে শনাক্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )