আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ আরও শক্তি জুগিয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। এরই মধ্যে ভারতের পশ্চিম উপকূলে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ঝড়ো হাওয়ার দাপটে উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। এ অবস্থায় ‘বিপর্যয়’ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এটি আগামী ১৫ জুন পাকিস্তানের কেটি বন্দর এবং ভারতের গুজরাটে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের কারণে পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করেছে। বিমানগুলোকে নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদফতরের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। দুর্যোগ মোকাবিলায় নৌবাহিনী, পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি অর্থরিটি, পাকিস্তান কোস্ট গার্ডকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়কে শক্তিশালী ঝড় ভাবা হচ্ছে। এ ঝড়ের কারণে সিন্ধ এবং বেলুচিস্তানকে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সমন্বয় মন্ত্রী শেরি রহমান।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রোববার (১১ জুন) সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে ভারি বৃষ্টির পাশাপাশি তীব্র ঝড়ো হওয়া বয়ে যায়। এতে মুম্বাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হয়। বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিলও হয়। প্রবল বৃষ্টির কারণে দৃশ্যমানতা কমে গিয়ে বিমান ওঠানামা ব্যাহত হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন বহু যাত্রী।