যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান পৌঁছে ইরানের প্রধান আলোচক পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, তাঁদের প্রতিনিধিদল আশাবাদী, তবে তারা মার্কিন প্রতিপক্ষকে বিশ্বাস করছে না। শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে পৌঁছায় ইরানের প্রতিনিধিদল। স্পিকার গালিবাফের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর, ডিফেন্স কাউন্সিলের
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও যুদ্ধরত সব দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হওয়া সত্ত্বেও দখলদার ইসরায়েল লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে। গতকাল বুধবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর লেবাননে ব্যাপক হামলা চালায় দখলদাররা। এতে দুইশরও বেশি মানুষ নিহত ও এক হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। এমন পরিস্থিতিতে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও সেটি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য ‘কাকুতি-মিনতি’ করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বারবার বলেছেন, ইরানের পক্ষ থেকে বারবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন যুদ্ধে যতি টানতে যুক্তরাষ্ট্রই উল্টো মরিয়া উঠেছিল। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে কাজ করতে মিত্রদেশ পাকিস্তানকে চাপও দিয়েছিল দেশটি। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর
উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার কারণে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরানকে সরাসরি দায়ী করে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। একই সঙ্গে তেহরান কীভাবে হামলা বন্ধ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেবে, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে চুক্তির স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে দেশটি। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা
ইরানে এক মাসের বেশি সময়ের ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে দেশটিতে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দেশটিতে আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। বৃহস্পতিবার ইরানের ফরেনসিক বিভাগের প্রধানের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধে ইরানজুড়ে ৩ হাজারেরও
ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিলেও শেষমেষ এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই ঘোষণার পরপরই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে এবার সম্মত হয়েছে দখলদার ইসরায়েলও। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন
জ্বালানি পরিবহনে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত একটি খসড়া প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া ও চীন। উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে আনা এই প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালিটিতে সমন্বিত রক্ষণাত্মক ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবিসি জানায়, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে
তেহরান সংলগ্ন আলবোরজ প্রদেশে হামলায় দুই শিশুসহ ১৮ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার প্রাদেশিক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইরানি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। আলবোরজ প্রদেশের ডেপুটি গভর্নরের উদ্ধৃতি দিয়ে বিচার বিভাগের মিজান অনলাইন ওয়েবসাইট ও ফার্স সংবাদ সংস্থা জানায়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, এতে ‘আমাদের ১৮ জন
ভারত একটি ‘ফলস-ফ্ল্যাগ অপারেশন’ বা ‘সাজানো সামরিক অভিযান’ চালানোর চক্রান্ত করছে। এর উদ্দেশ্য হলো-যাতে দোষ চাপানো যায় পাকিস্তানের ওপর। এমন অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন কোনো ‘নাটক’ মঞ্চস্থ করা হলে নয়াদিল্লিকে কঠোর জবাব দেয়া হবে। এমনকি ভারতকে তাড়িয়ে ‘বাংলাদেশের সীমান্তে’ কলকাতা শহর পর্যন্ত নিয়ে
বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে সংঘাত নিয়ে পশ্চিমাদের সেই ক্ষোভের কথা মনে আছে? ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত আমাদের বুশেহর কেন্দ্রে চারবার বোমা হামলা চালিয়েছে।” আরাঘচি আরও সতর্ক করে বলেন যে, এই
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের কুইন্সে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি ময়লার ট্রাকের ধাক্কায় ১৯ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণী নিশাত জান্নাত প্রাণ হারিয়েছেন। রবিবার (২৯ মার্চ) রাত প্রায় ১২টার দিকে উডসাইড এলাকার রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ ও ৬২তম সড়কের সংযোগস্থলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিশাত জান্নাত জ্যামাইকার একটি পার্কিং গ্যারেজে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। কাজ