1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খেজুর ও কুমড়ার বীজে পুষ্টিকর নাশতা, মিলবে শক্তি ও প্রয়োজনীয় খনিজ ইউরোপে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষে বাংলাদেশ, তবে বাড়ছে প্রতিযোগীদের দাপট বিশ্বের একমাত্র খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ গায়ানা, গবেষণায় উঠে এলো চমকপ্রদ তথ্য সরকারি প্রাথমিকে সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ, এরপর আসতে পারে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নারায়ণগঞ্জে অটোরিকশার স্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫ সরকারি বাসায় এডিসের লার্ভা মিললেই বরাদ্দ বাতিল, জরিমানার নির্দেশ ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর পাঁচ দিনের সরকারি সফরে স্পেন ও যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন শামা ওবায়েদ মোহাম্মদপুর থেকে আওয়ামী লীগ নেতা আহাদ হোসেন গ্রেপ্তার মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে বাংলাদেশ

ইউরোপে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষে বাংলাদেশ, তবে বাড়ছে প্রতিযোগীদের দাপট

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছেন

 চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি কমেছে ৫.৮৫ শতাংশ; বিপরীতে ভিয়েতনাম, চীন ও মিসরের রপ্তানি বেড়েছে।

সংবাদ পোস্ট |জাতীয়,  অর্থনীতি ও বাণিজ্য

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে ডেনিম পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও রপ্তানি কমে যাওয়ায় দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য নতুন প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, চীন, মিসর, ভিয়েতনাম ও ভারতের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো ইউরোপের বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করছে।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান দপ্তর ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ইইউর দেশগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ২৯৫ কোটি ইউরোর ডেনিম পোশাক আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আমদানি কমেছে ৪.৪০ শতাংশ।

বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ ৮৭ কোটি ইউরোর ডেনিম পোশাক রপ্তানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি কমেছে ৫.৮৫ শতাংশ। বর্তমানে ইউরোপের ডেনিম পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ২৯.৪০ শতাংশ।

রপ্তানির পরিমাণ কমলেও বাংলাদেশ এখনো ইউরোপের বাজারে শীর্ষ ডেনিম সরবরাহকারী দেশ। তবে প্রতিযোগী দেশগুলোর দ্রুত প্রবৃদ্ধি ভবিষ্যতে এই অবস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

পাকিস্তান, তুরস্ক ও তিউনিসিয়ার অবস্থান

ইউরোপীয় ইউনিয়নে ডেনিম পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের পরেই রয়েছে পাকিস্তান। দেশটি চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ৫৩ কোটি ইউরোর ডেনিম পোশাক রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৮৮ শতাংশ কম। ইউরোপের বাজারে পাকিস্তানের হিস্যা ১৭.৭৮ শতাংশ।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা তুরস্কের ডেনিম রপ্তানি কমেছে ২১ শতাংশ। দেশটি রপ্তানি করেছে ৪৪ কোটি ইউরোর পোশাক। চতুর্থ অবস্থানে থাকা তিউনিসিয়া রপ্তানি করেছে ২২ কোটি ইউরোর ডেনিম পোশাক।

দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ভিয়েতনাম, চীন ও মিসর

বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো, কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভিয়েতনামের ডেনিম পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। চীনের রপ্তানি বেড়েছে ১৭.৭০ শতাংশ এবং মিসরের বেড়েছে ৩১.৪৬ শতাংশ।

একই সময়ে ভারতের ডেনিম পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৮.৬২ শতাংশ। কম্বোডিয়া ও মরক্কোর রপ্তানি অবশ্য কমেছে যথাক্রমে ৬.৪৭ ও ১৪.৪৮ শতাংশ।

আগস্টে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ

বছরের শুরুর দিকে রপ্তানিতে পিছিয়ে থাকলেও আগস্টে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ওই মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২.৭১ শতাংশ বেড়ে ১৩ কোটি ৪১ লাখ ইউরো হয়েছে।

তবে একই মাসে কয়েকটি প্রতিযোগী দেশের রপ্তানিও দ্রুত বেড়েছে। ফলে বাংলাদেশের জন্য কেবল রপ্তানি বাড়ানো নয়, প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য সরবরাহ এবং ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যে বৈচিত্র্য আনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

উৎপাদন ব্যয় ও বাণিজ্যচুক্তির চ্যালেঞ্জ

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপার্টের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেলের মতে, বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ক্রয়াদেশ কম থাকলেও পরবর্তী তিন মাসে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে প্রতিযোগী দেশগুলো বাংলাদেশের তুলনায় বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

তিনি এর পেছনে ক্রেতাদের কাছে প্রতিযোগিতামূলক দাম দিতে না পারা, গ্যাস-বিদ্যুতের উচ্চমূল্য, কারখানার সংকট এবং পণ্যের সীমিত বৈচিত্র্যকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এ ছাড়া ভিয়েতনামের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে। ভারতও এ ধরনের চুক্তির দিকে এগোচ্ছে। এতে দেশ দুটির পণ্য ইউরোপের বাজারে বাড়তি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেতে পারে।

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর নির্দিষ্ট সময় শেষে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে থাকবে। তাই ইউরোপের বাজারে শুল্কসুবিধা বজায় রাখতে কার্যকর বাণিজ্যচুক্তির উদ্যোগ, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: প্রথম আলো

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )