বিশ্বের শীর্ষ ধনী Elon Musk আবারও ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের কাছাকাছি পৌঁছেছেন। মাত্র এক দিনেই তাঁর সম্পদ বেড়েছে ৬১ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার।
ফোর্বসের রিয়েলটাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকার তথ্য অনুযায়ী, এই বৃদ্ধির পর মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৭৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার, যা ১ ট্রিলিয়ন ডলারের খুব কাছাকাছি।
মাস্কের সম্পদ বৃদ্ধির প্রধান কারণ তাঁর দুই প্রতিষ্ঠান—মহাকাশ ও স্যাটেলাইট কোম্পানি স্পেসএক্স এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা—এর শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়া।
শুক্রবার স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ৭ শতাংশের বেশি বেড়ে ১৫৮ দশমিক ৮৪ ডলারে ওঠে। এর আগে ২৪ ঘণ্টায় প্রতিষ্ঠানটি কয়েকটি মহাকাশযান সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছিল। অন্যদিকে টেসলার শেয়ারের দামও প্রায় ৫ শতাংশ বেড়ে ৩৭১ দশমিক ৩২ ডলারে ওঠে।
টেসলার শেয়ারের দাম বাড়ার পেছনে তৃতীয় প্রান্তিকে গাড়ি সরবরাহের ভালো ফলও ভূমিকা রেখেছে। ওই প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩২টি গাড়ি সরবরাহ করেছে, যা বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে টেসলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে এক দিনেই মাস্কের সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। তুলনা করলে, বাংলাদেশের ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ এক দিনে মাস্কের সম্পদ বৃদ্ধির পরিমাণ বাংলাদেশের পুরো বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশের সমান।
এর আগে গত ১২ জুন অল্প সময়ের জন্য বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন মাস্ক। সেদিন তাঁর সম্পদের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। পরে স্পেসএক্সের শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় তাঁর সম্পদও দ্রুত কমে যায়।
জুনের শেষ দিকে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ৩১ শতাংশ কমে গেলে মাস্ক ট্রিলিয়নিয়ারের মর্যাদা হারান। এরপর ২৯ জুন তিনি আবার সাময়িকভাবে সেই সীমা অতিক্রম করেন। জুলাইয়ে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম আরও কমে গেলে তাঁর সম্পদ ৭০০ বিলিয়ন ডলারের নিচেও নেমে যায়।
এখন আবার স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মাস্কের সম্পদ। ফলে তিনি আবারও ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের সীমা অতিক্রম করার কাছাকাছি পৌঁছেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো, ফোর্বসের রিয়েলটাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকা