সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, ‘জুলাই’কে কেন্দ্র করে দেশে একটি ‘মিথ্যা বয়ান’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনাকে ঘিরে সবচেয়ে বড় মিথ্যা ছিল জাতিসংঘের নামে প্রচার করা ১ হাজার ৪০০ মৃত্যুর সংখ্যা।
আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে আরাফাত বলেন, গত দুই বছরেও ওই ১ হাজার ৪০০ জনের পূর্ণাঙ্গ নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর ভাষ্য, “কারণ সংখ্যাটি মিথ্যা। যে সংখ্যা বাস্তবে নেই, তার তালিকাও দেওয়া সম্ভব নয়।”
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, এখন পর্যন্ত ৮৩৪ জনের নাম পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব মৃত্যুর প্রতিটির পেছনের প্রকৃত কারণ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, সেটি ইচ্ছাকৃতভাবেই করা হয়নি।
আরাফাত বলেন, “প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে বোঝা যেত, কে কীভাবে মারা গেছে, কোন পরিস্থিতিতে মারা গেছে এবং প্রকৃত দায় কার ছিল। কিন্তু গত দুই বছরে একটি ঘটনাও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, সঠিক তদন্ত করা হলে অনেক ‘অপ্রিয় সত্য’ সামনে চলে আসত। তখন পরিষ্কার হয়ে যেত, ‘জুলাই’ আসলে কী ছিল এবং ঘটনাগুলো কীভাবে ঘটেছিল।
মোহাম্মদ আলী আরাফাতের ভাষ্য, জুলাই নিয়ে যারা রাজনৈতিক বয়ান দাঁড় করিয়েছে, তাদের সব বাটপারি তখন বন্ধ হয়ে যেত।