দেশকে নেতৃত্ব শূন্য করে দিতেই জেলহত্যা করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।
তিনি বলেছেন, জেলকে বলা হয় সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল। সেখানেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব শূন্য করে দিতে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বাদ জুমা যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদে ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া-মোনাজাত পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, খন্দকার মুশতাকসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের খুনি চক্র ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ক্ষান্ত হয়নি। তারা আওয়ামী লীগ তথা দেশকে নেতৃত্ব শূন্য করতেই ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ হত্যাকাণ্ড এতই নির্মম ছিল যে, হত্যা নিশ্চিত করতে বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে পরীক্ষা করে খুনি চক্র।
তিনি বলেন, এ জাতির মধ্যে কিছু কলঙ্কিত সন্তানও জন্ম নিয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রজমানসহ এ দেশের স্বাধীনতা যারা এনেছিল তাদেরকেও তারা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রজমানসহ ১৫ আগস্টের শহীদদের, জাতীয় চার নেতাসহ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান। দোয়া-মোনাজাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জাফিরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মো. আকরামুল ইসলাম।