1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ককপিটে সহকারী পাইলটের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত পাইলট, ৩০ সেকেন্ডে ১৪ হাজার ফুট নিচে বিমান! ‘আমি জানতাম বিমানটি ভেঙে পড়ছে’—ককপিটে ছুরিকাঘাতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা পাইলটের মিরপুরের রাড্ডা সেন্টারে হামলার অভিযোগ: সংসদ সদস্য পদ ছাড়লেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার সাত যাত্রী নিহত ফেসবুক ভিডিওতেই মিলল নিখোঁজ স্ত্রী, ২ মাস ২৩ দিন পর আবেগঘন পুনর্মিলন চলন্ত বাসে সন্তান প্রসব, নবজাতকের আজীবন ভ্রমণ ‘ফ্রি’ ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় তিন দিনে তিন কিশোরীর মৃত্যু ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজে হামলাকারী কে, তাঁকে নিয়ে কী বলছে ইসরায়েল আঙুলের ছাপ ক্লোন করে গ্রাহকের অজান্তে সিম, অপরাধীদের কাছে বিক্রির অভিযোগ ইন্দোনেশিয়ার কাছে বাংলাদেশের ৯–২ গোলের হার, শেষ হলো জয়হীন এএফসি/আসিয়ান কাপ অভিযান ইরানের আশপাশে নতুন করে তিন রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য তেলের ঘানি হারিয়ে গেছে মানিকগঞ্জে

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩
  • ১৬৫ জন দেখেছেন

মানিকগঞ্জ থেকে হারিয়ে গেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য সরিষা ভাঙানোর ঘানি। এক সময় সরিষার তেল তৈরির একমাত্র মাধ্যম ছিল ঘানি। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই ঘানি দিয়ে সরিষা থেকে তেল বের করা হতো। কালের বিবর্তনে গরু দিয়ে টানা ঘানি এখন কেবলই স্মৃতি। জেলার কোথাও এর অস্তিত্ব নেই। প্রায় সকল ঘানিই এখন মেশিনে রুপান্তরিত হয়েছে।

সরেজমিনে মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায় প্রতিটি মিলে ব্যস্ত সময় পার করছেন মালিক শ্রমিকরা। কাজের ফাঁকে তারা জানান, যারা গরু দিয়ে ঘানির কাজ করতেন তারাই মূলত মেশিন ব্যবহার করে পুরানো পেশাকে ধরে রেখেছেন।

মেসার্স আকালী ওয়েল মিলের মালিক হাজী মো. নজর আলী (৮৫) বলেন, ঘানিই ছিল আমার বাপ দাদার আদি পেশা। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও গরুর ঘানি চলেছে। আগে সারাদিনে মাত্র এক মণ সরিষা ভাঙানো যতে। এখন প্রতিদিন দশ বার মণ সরিষা ভাঙানো যায়। প্রতি মণ সরিষা ভাঙাতে খরচ নেওয়া হয় ছয়শত টাকা।

মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. আইয়ুব মিয়া বলেন, মানুষ এখন আর সময় অপচয় করতে চায় না। দোকানে এসেই ব্যস্ততা দেখায়। যার কারণে দিনে দিনে ঘানি উঠে গেছে। আগে সর্বত্রই ঘানি দেখা যেত। এখন মানিকগঞ্জের কোথাও ঘানি নেই। তারা আরো বলেন, কাজ না থাকলেও গরুকে খাওয়াতে হয়। গরু রাখা পরিচর্যা করা এখন কঠিন। তাই মেশিন চলে এসেছে। ঘানি আর মেশিনে ভাঙানো তেলের গুণাগুণ ও স্বাদের তেমন পার্থক্য নেই। প্রতিদিন নারী পুরুষ সহ সকল শ্রেণীর ক্রেতারা দোকানে এসে খাটি সরিষার তেল কিনে নিচ্ছেন। প্রতি কেজি সরিষার তেল বিক্রি হয় দুইশত ষাট টাকা।

মানিকগঞ্জ শহর বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুদ্দিন রেজা বলেন, মানিকগঞ্জে কোথাও ঘানি নেই। মেশিনে ভাঙানো তেলও শতভাগ খাঁটি। এর স্বাদ ও গন্ধ ঘানির তেলের মতই।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )