1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গ্যাসসংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা, দুই দিনেই থামল উৎপাদন সাজেকে অবরোধ অব্যাহত, পাঁচ দাবির চারটিতে সমঝোতা ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২১৮ খেজুর ও কুমড়ার বীজে পুষ্টিকর নাশতা, মিলবে শক্তি ও প্রয়োজনীয় খনিজ ইউরোপে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষে বাংলাদেশ, তবে বাড়ছে প্রতিযোগীদের দাপট বিশ্বের একমাত্র খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ গায়ানা, গবেষণায় উঠে এলো চমকপ্রদ তথ্য সরকারি প্রাথমিকে সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ, এরপর আসতে পারে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নারায়ণগঞ্জে অটোরিকশার স্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫ সরকারি বাসায় এডিসের লার্ভা মিললেই বরাদ্দ বাতিল, জরিমানার নির্দেশ ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

বিশ্বের একমাত্র খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ গায়ানা, গবেষণায় উঠে এলো চমকপ্রদ তথ্য

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ জন দেখেছেন

ফলমূল থেকে মাছ-মাংস, সাত খাদ্যগোষ্ঠীতেই নিজস্ব উৎপাদনে চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা দেশটির

আন্তর্জাতিক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি| সংবাদ পোস্ট

বিশ্বের ১৮৬টি দেশের খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা বিশ্লেষণ করে এক চমকপ্রদ তথ্য পেয়েছেন গবেষকেরা। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানা একমাত্র দেশ, যা সাতটি প্রধান খাদ্যগোষ্ঠীর সব কটিতেই নিজস্ব উৎপাদনের মাধ্যমে নিজেদের খাদ্য চাহিদা পূরণের সক্ষমতা অর্জন করেছে। ২০২৫ সালে Nature Food সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে।

গবেষণায় ফলমূল, শাকসবজি, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, মাছ, মাংস, উদ্ভিদজাত প্রোটিন এবং শর্করাজাতীয় খাবার—এই সাতটি খাদ্যগোষ্ঠীর উৎপাদন ও চাহিদার তুলনা করা হয়। এতে দেখা যায়, গায়ানা সাতটি বিভাগেই স্বয়ংসম্পূর্ণতার মানদণ্ড পূরণ করেছে। অন্যদিকে চীন ও ভিয়েতনাম ছয়টি খাদ্যগোষ্ঠীতে এই সক্ষমতা অর্জন করেছে।

কেন এগিয়ে গায়ানা?

গায়ানার ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক পরিবেশ কৃষির জন্য বেশ উপযোগী। দেশটির উষ্ণ আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং কৃষিকাজের উপযোগী জমি বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদনে সহায়তা করে। পাশাপাশি দেশটির জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় খাদ্য উৎপাদন ও মোট চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।

দেশটির কৃষিতে একই জমিতে একাধিক ফসল উৎপাদনের মতো পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। মিশ্র চাষের মাধ্যমে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। তবে গায়ানার খাদ্যস্বয়ংসম্পূর্ণতার পেছনে শুধু জলবায়ু বা জনসংখ্যা নয়, উৎপাদনব্যবস্থা ও খাদ্য চাহিদার সামগ্রিক হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ।

কেন অধিকাংশ দেশ খাদ্যে পুরোপুরি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়?

গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশ সাতটি খাদ্যগোষ্ঠীর সব কটিতে নিজেদের চাহিদা পূরণের মতো উৎপাদন করতে পারে না। জলবায়ুর পার্থক্য, আবাদযোগ্য জমির সীমাবদ্ধতা, জনসংখ্যার চাপ এবং উৎপাদন ব্যয় এর অন্যতম কারণ।

কোনো দেশে শস্য উৎপাদন বেশি হলেও সেখানে পর্যাপ্ত মাছ, দুধ, ফলমূল কিংবা উদ্ভিদজাত প্রোটিন উৎপাদন নাও হতে পারে। আবার কিছু দেশে নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি করা তুলনামূলক সাশ্রয়ী হওয়ায় অন্য খাদ্য আমদানি করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হয়।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশের বেশি দেশ সাতটি খাদ্যগোষ্ঠীর মধ্যে সর্বোচ্চ দুটি গোষ্ঠীতে স্বয়ংসম্পূর্ণতার মানদণ্ড পূরণ করতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আমদানির ওপর অনেক দেশের খাদ্য সরবরাহ নির্ভরশীল।

বাংলাদেশের জন্য কী শিক্ষা?

বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশের জন্য খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিজমির কার্যকর ব্যবহার, ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, উন্নত কৃষিপ্রযুক্তির প্রয়োগ এবং পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ গুরুত্বপূর্ণ। একই জমিতে উপযোগী একাধিক ফসল উৎপাদন, মাটির উর্বরতা সংরক্ষণ এবং কৃষিপণ্যের অপচয় কমানোর উদ্যোগ খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

তবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মানেই সব ধরনের খাদ্য আমদানি বন্ধ করা নয়। বরং দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় খাদ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদন করা এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলেও খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারাই খাদ্যনিরাপত্তার অন্যতম লক্ষ্য।

সূত্র: বিজ্ঞানচিন্তা, Nature Food সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )