1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাতকানিয়ায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-মেয়ের মৃত্যু, বাসে আগুন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সীমালঙ্ঘনের সুযোগ নেই, প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়বিচারের আহ্বান শায়েখ সাইফুল্লাহর মাদ্রাসায় শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আলেম সমাজের নীরবতা নিয়ে আসিফ নজরুলের সমালোচনা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ ড্র, ব্যাটে-বলে নজর কাড়লেন তরুণেরা বিমানের কার্পেটের নিচে জীবন্ত সাপ, বাতিল জাপানের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট কক্সবাজারের তারকা হোটেলে আগুন, প্রাণভয়ে সৈকতে ছুটলেন ৩০০ পর্যটক! জনসমক্ষে না এলেও সুস্থ আছেন মোজতবা খামেনি, দাবি ইরানি কূটনীতিকের সাজেক থেকে ফেরার পথে গোলাগুলি, আতঙ্কে ২,৯৩৩ পর্যটক ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই থেকে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক পরিবর্তনের উদ্যোগ এনসিটিবির জ্বালানি আমদানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশ–আলজেরিয়ার নতুন উদ্যোগ

সাতকানিয়ায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-মেয়ের মৃত্যু, বাসে আগুন

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ জন দেখেছেন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে মিনিবাসের চাকা বিস্ফোরিত হয়ে দুর্ঘটনার সূত্রপাতের কথা জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র; আহত চারজন, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘাতের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

ক্যাটাগরি: সারাদেশ / দুর্ঘটনা

প্রকাশের তারিখ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মিনিবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. দেলোয়ার হোসেন ও তাঁর মেয়ে ওয়াসিফের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও চারজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ লোকজন মহাসড়ক অবরোধ করে মিনিবাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় পুলিশের গাড়িতে হামলা এবং আগুন নেভাতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতের প্রথম প্রহরে প্রকাশিত দৈনিক কালবেলার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সাতকানিয়ায় যেভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

কালবেলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়ার মৌলুভির দোকান পাঠানিপুল এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি মিনিবাসের চাকা বিস্ফোরিত হলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়।

সংঘর্ষে অটোরিকশায় থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মেয়ে ওয়াসিফের মৃত্যু হয়।

নিহত দেলোয়ার হোসেনের বয়স ৩০ বছর। তিনি সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবদুস সাত্তারের ছেলে।

এ দুর্ঘটনায় আহত আরও চারজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আহত ব্যক্তিদের নাম, পরিচয় ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে উত্তেজনা, বাসে আগুন

বাবা ও মেয়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কালবেলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষুব্ধ লোকজন মহাসড়ক অবরোধ করে দুর্ঘটনায় জড়িত মিনিবাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেন।

এ সময় পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও আটকে দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

দুর্ঘটনা এবং পরবর্তী পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপার

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

দুর্ঘটনায় প্রাণহানি এবং পরবর্তী সময়ে বাসে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর হামলা ও ফায়ার সার্ভিসের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবছার কালবেলাকে জানান, দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। বাসে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর হামলা এবং ফায়ার সার্ভিসের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সরকারি কাজে বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সড়ক দুর্ঘটনা ও পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ

একটি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তবে সড়ক অবরোধ, যানবাহনে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর হামলা কিংবা উদ্ধারকাজে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং জরুরি সেবার যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সড়ক দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণে যানবাহনের যান্ত্রিক অবস্থা, চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পরিস্থিতি এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। একইভাবে দুর্ঘটনার পর সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

সাতকানিয়ার এ ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যুতে তাঁদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কাজে বাধা দেওয়ার বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: দৈনিক কালবেলা, ২৪ অক্টোবর ২০২৬।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )