আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য, বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনহার মিয়া।
এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু দেশের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নেতৃত্বগুণ ও জনসম্পৃক্ততা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আনহার মিয়া বলেন, ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় নেতৃত্বে উঠে আসা তোফায়েল আহমেদ ছিলেন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের একজন পরীক্ষিত নেতা। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোতে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় আনহার মিয়া আরও বলেন, তোফায়েল আহমেদের জানাজায় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। একজন বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতার শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়া কোনো অপরাধ হতে পারে না। তিনি এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও একজন জাতীয় নেতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অধিকার সবার রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।