জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী কোরবানির পশুর হাটে মহিষের আক্রমণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। সোমবার সন্ধ্যায় জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মজিবুর রহমান। এর আগে রোববার ঘটনাস্থলের পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান রুহুল আমিন।
নিহত মজিবুর রহমান উপজেলার চর মাদার গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে। অপর নিহত রুহুল আমিন কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার জাউনিয়ার কড়াইডাঙ্গীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সানন্দবাড়ী কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির জন্য কয়েকটি মহিষ নিয়ে আসেন আকন্দপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তি। হাটে আনার পর একটি মহিষ আচমকা উত্তেজিত হয়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
একপর্যায়ে মহিষটি হাটজুড়ে ছোটাছুটি শুরু করে। সামনে যাকে পেয়েছে, তাকেই আক্রমণ করেছে। প্রাণ বাঁচাতে হাটে থাকা মানুষজন দিকবিদিক ছুটতে থাকেন। এ সময় রুহুল আমিনসহ অন্তত ছয়জন আহত হন।
গুরুতর আহত রুহুল আমিনকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। আহত মজিবুর রহমানকে প্রথমে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, মহিষের আক্রমণে আহত মজিবুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় এখনো কোনো অভিযোগ করা হয়নি।