1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ককপিটে সহকারী পাইলটের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত পাইলট, ৩০ সেকেন্ডে ১৪ হাজার ফুট নিচে বিমান! ‘আমি জানতাম বিমানটি ভেঙে পড়ছে’—ককপিটে ছুরিকাঘাতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা পাইলটের মিরপুরের রাড্ডা সেন্টারে হামলার অভিযোগ: সংসদ সদস্য পদ ছাড়লেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার সাত যাত্রী নিহত ফেসবুক ভিডিওতেই মিলল নিখোঁজ স্ত্রী, ২ মাস ২৩ দিন পর আবেগঘন পুনর্মিলন চলন্ত বাসে সন্তান প্রসব, নবজাতকের আজীবন ভ্রমণ ‘ফ্রি’ ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় তিন দিনে তিন কিশোরীর মৃত্যু ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজে হামলাকারী কে, তাঁকে নিয়ে কী বলছে ইসরায়েল আঙুলের ছাপ ক্লোন করে গ্রাহকের অজান্তে সিম, অপরাধীদের কাছে বিক্রির অভিযোগ ইন্দোনেশিয়ার কাছে বাংলাদেশের ৯–২ গোলের হার, শেষ হলো জয়হীন এএফসি/আসিয়ান কাপ অভিযান ইরানের আশপাশে নতুন করে তিন রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ঈদ ঘিরে ফেনীতে বেড়েছে মসলার দাম

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪
  • ১২১ জন দেখেছেন

ফেনী: ঈদুল আজহা ঘিরে ফেনীতে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সব ধরনের মসলার দাম। বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকার কিংবা প্রশাসনের মনিটরিং দাবি করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

এদিকে বিক্রেতারা বলছেন, আমদানি করতে হয় বেশি দামে। পাইকারিতে বেশি দামে কেনার কারণে ভোক্তা পর্যায়ে ক্রেতার কাছে কম দামে বিক্রির সুযোগ নেই।

প্রস্তাবিত বাজেটে মসলা পণ্যে ১ শতাংশ উৎস কর কমানো হয়েছে। যেখানে আগে ২ শতাংশ ছিল। এর প্রভাব পড়েনি ফেনীর বাজারে। বরং দাম আরও বেড়েছে।

ফেনী বড় বাজারে আজ ভারতীয় জিরা বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা, যেটি গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকা। টার্কিশ জিরা বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা। এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৭০০ টাকা, যেটি গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৪০০ টাকা। দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা, যা গেল সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৫০০ টাকা, লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায়, যার দাম বেড়েছে প্রায় ১৫০ টাকা। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা, যা গেল সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকা, যা গেল সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা। আদা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা, এখানেও দাম বেড়েছে ২৫ টাকা। বেড়েছে হলুদ, মরিচ, ধনিয়াসহ বাকি মসলার দামও।

কবির আহম্মেদ নামে এক বিক্রেতা বলেন, বেশি দাম আমদানি করায় ব্যবসায়ীরা বাড়তি দামে পাইকারিতে কিনছেন। এর ফলে খুচরা পর্যায়েও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আফসার উদ্দিন নামে এক ক্রেতা বলেন, আমদানির দোহাই দিয়ে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে। ঈদকে কেন্দ্র করে সুপরিকল্পিতভাবে মসলার দাম বাড়াচ্ছেন তারা। ভোক্তা অধিকার কিংবা প্রশাসন যদি অভিযান চালায় তাহলে বাজারে প্রভাব পড়বে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )