1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সরকার বদলায়, শিক্ষকদের দলাদলি থেকে যায় অক্টোবর–ডিসেম্বরে দেশে কম বৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়তে পারে তাপমাত্রা হরমুজ প্রণালিতে ফের তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, বাড়ছে নৌপথের নিরাপত্তা শঙ্কা ৭,৬৪১ গ্রাহকের ২৬ কোটি টাকার বিমা দাবি পরিশোধ ২০২৭ বিশ্বকাপে কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশ, শুরুতেই ইংল্যান্ডের চ্যালেঞ্জ এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৮৩৭ টাকা দত্তকের নামে ফেসবুকে শিশু কেনাবেচা, প্রকাশ্যেই চলছে দর-কষাকষি লিওনেল মেসিকে সম্মানসূচক ডক্টরেট দিচ্ছে বুয়েনস এইরেস বিশ্ববিদ্যালয় ইরানে ডলারের দাম ২৭ লাখ রিয়াল ছাড়াল, মুদ্রার রেকর্ড দরপতন ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে বেশি বাঁচেন বাংলাদেশিরা

রোহিঙ্গাদের জন্য ৮৫২.৪ মিলিয়ন ডলার সহায়তার আহ্বান জাতিসংঘের

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪
  • ১২১ জন দেখেছেন

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও এর অংশীদার মানবিক সংস্থাগুলো রোহিঙ্গা শরণার্থী ও তাদের আশ্রয় প্রদানকারী স্থানীয় জনগণের সুরক্ষা ও সহায়তায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে পুনরায় আহ্বান জানিয়েছে।

বুধবার বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা মানবিক সংকটের জন্য ২০২৪ সালের কার্যক্রমের যৌথ পরিকল্পনা (জেআরপি) ঘোষণা করা হয়েছে।

যৌথ পরিকল্পনায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ও তাদের আশ্রয় প্রদানকারী স্থানীয় জনগণ মিলিয়ে মোট ১৩.৫ লাখ মানুষের সহায়তায় ৮৫২.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের আবেদন জানানো হয়েছে।

এ দিন জেনেভায় দাতাদের সামনে কর্ম-পরিকল্পনা ও আনুষঙ্গিক আর্থিক চাহিদা তুলে ধরেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি এবং জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক এমি পোপ।

এতে বলা হয়, মিয়ানমারে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের এই সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংহতি এবং শরণার্থীদের সুরক্ষা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

যৌথ কর্ম-পরিকল্পনায় যুক্ত থাকছে ১১৭টি সংস্থা, যার প্রায় অর্ধেকই বাংলাদেশি। এর লক্ষ্য কক্সবাজার ও ভাসানচরে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও ৩ লাখ ৪৬ হাজার স্থানীয়র জনগণকে খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি, সুরক্ষা পরিষেবা, শিক্ষা, জীবিকামূলক কাজের সুযোগ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে সহায়তা করা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )