1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsiam4@gmail.com : Saimum Siam : Saimum Siam
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ইউরো জেতানো অধিনায়ককে ছাড়াই স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ৬ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত বিএনপি সরকারের তিন মাসে ধর্ষণের শিকার ১৩৭ জন, ৯১ জনই শিশু নাড়ির টানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপে ফিরছে মানুষ একাধিক উপদেষ্টার প্রভাবে তিনবার পদত্যাগ করতে চেয়েছিলাম: তৌহিদ হোসেন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালেন শেখ হাসিনা টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে জাতিসংঘের নামে ‘মিথ্যা মৃত্যুর সংখ্যা’ প্রচার করে জুলাই নিয়ে বয়ান দাঁড় করানো হয়েছে: আরাফাত পাকিস্তানে সেনাবাহী ট্রেনে ভয়াবহ হামলায় নিহত ২৪ একটি টিকিটও বিক্রি হয়নি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার

কী কারণে খাজা টাওয়ারে আগুন দ্রত ছড়িয়ে পড়েছিল, জানালেন ফায়ার ডিজি

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১০৬ জন দেখেছেন

সংবাদ পোস্ট ডেস্ক: রাজধানীর মহাখালীর খাজা টাওয়ারে সেফটি প্ল্যান ছিল না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন। ভবনটিতে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ফায়ার সার্ভিসের ডিজি বলেন, এখনো আগুনের আছে, যার জন্য আগুন জ্বলছে। কারণ এই ভবনে ব্যাটারি আছে, স্টোরস, ক্যাবেল, সুইচেস, আইসোলেসন ফোম এবং ১২ ও ১৩ তলাতে ইন্টেরিয়র দিয়ে খুব সুসজ্জিত করা। যা আগুনের বিশেষ উপাদান। আগুন নিয়ন্ত্রণে আরও সময় লাগবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে আগুন আমাদের কন্ট্রোলে আছে। তবে নির্বাপণ করতে সময় লাগবে। খাজা টাওয়ার ভবনটিতে সেফটি প্ল্যান ছিল না। ভবনটিতে দাহ্য পদার্থ বেশি ছিল, সে কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে যায়।

তিনি বলেন, এই এলাকায় একটি ফায়ার সার্ভিসের টহল গাড়ি ছিল। প্রথম গাড়ি হিসেবে টহল গাড়িটি অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করে। এর পরবর্তীতে একে একে ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে কাজ করে। ফায়ার সার্ভিসের অত্যাধুনিক তিনটি সর্বোচ্চ টিটিএল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রায় দেড় শতাধিক ফায়ার ফাইটার এই অগ্নিকাণ্ডে কাজ করে। সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসারসহ সবাই আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে।

মাইন উদ্দিন বলেন, বিকেল ৫টা ৭ মিনিট থেকে যখন আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করা হয়। তখন আগুন বাইরে তেমন একটা ছিল না। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আগুন আমাদের কন্ট্রোলে চলে আসে। কিন্তু অনেক সময় লাগে একজন মানুষকে উদ্ধার করার জন্য। এ পর্যন্ত আমরা নয়জনকে উদ্ধার করেছি। দু’জন লাফিয়ে পড়েছিল, তাদেরকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। শেষ মুহুর্তে আমরা একজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছি।

ভেতরে কেউ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের জানামতে এখন কেউ নেই। তবুও আমরা সার্চ করছি। কারণ একজন নিখোঁজের খবর আমাদের কাছে আছে। নিচতলা থেকে প্রতিটি ফ্লোরে সার্চ করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )