দিনকয়েক আগেই দক্ষিণী তারকা এমি জ্যাকসন নেটিজেনদের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছিলেন। তবে তা তার কোনো নতুন চরিত্রের জন্য নয়। সম্প্রতি নিজের একেবারে ভিন্ন লুকের ছবি পোস্ট করেছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। তারপর থেকেই তার সেই নতুন লুক নিয়ে নেটিজেনদের তরফে ধেয়ে এসেছিল নানা রকম মন্তব্য।
নেটপাড়ায় এমি জ্যাকসনের অনুরাগীদের অনেকেই এমির এই নতুন লুকের সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছিলেন আইরিশ তারকা কিলিয়ন মর্ফির। তাদের কথায়, নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এর টমাস শেলবির লুকের সঙ্গে যেন অদ্ভুত মিল এমি জ্যাকসনের এই নতুন চেহারার।
স্বাভাবিকভাবেই এই তুলনা কানে গেছে অভিনেত্রী এমিরও। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানালেন, নতুন একটি ছবির জন্যই এই ভোলবদল। তার কথায়, ‘গত এক মাস ধরে আমি লন্ডনে নতুন একটি কাজ শুরু করেছি। সেই কাজের জন্যই আমার লুক বদল করা প্রয়োজন ছিল।’
এমির পুরুষ অনুরাগীদের অনেকেই জানিয়েছিলেন, তাদের প্রিয় সুন্দরী অভিনেত্রীর এমন ভোলবদলে মোটেই দেখতে ভালো লাগছে না এমিকে।
এ প্রসঙ্গে এমি বলেন, ‘ভারতে সৌন্দর্যের যে মাপকাঠি তার ভিত্তিতেই এই পুরুষ অনুরাগীরা বিচার করেছেন আমার এই লুককে। তবে যে ছবির জন্য এই ভোলবদল করেঠি, সেই ছবির সহ-অভিনেতারা কিন্তু প্রশংসা করছেন আমাকে।’
এমির নতুন লুক নিয়ে ট্রলও করা হচ্ছিল। এটা নিয়েও তিনি বলেন, ‘নারীরা একটু অন্য ধরনের চুল কাটলে বা তথাকথিত সৌন্দর্যের সংজ্ঞা থেকে বেরিয়ে অন্যরকম সাজগোজ করলেই তাকে ট্রলিং বা সমালোচনার মুখোমুখি হতে হবেই। কিছু করার নেই।’
২০১২ সালে ‘এক থা দিওয়ানা’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে ডেবিউ করেন এমি। এরপর ‘সিং ইজ ব্লিং’, ‘ফ্রিকি আলি’-তে দেখা যায় তাঁকে। এরপর রজনীকান্ত ও অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘২.০’ ছবিতে দেখা গেছে তাঁকে।