এসময় বক্তব্য রাখেন, হামলার শিকার বাবুর বাবা হাফিজুর রহমান মোল্লা, ভাই মেহেদী হাসান রাব্বী, বাবু রায়, মাহামুদ হাসান নাঈম, ওহিদুল ইসলাম, লিটন মিয়া প্রমুখ। বিক্ষোভে স্থানীয় এলাকাবাসী ছাড়াও ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
এসময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, এলাকায় পূর্বশক্রতার জের ধরে গত ১০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) মধ্যরাতে নগরীর মডার্ন মোড় এলাকায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিলন, ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাব্বী হাসানসহ ১০-১২ জন যুবলীগ নেতা মোক্তারুল ইসলাম বাবুর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাবুকে ঢাকায় জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ৮ দিন পার হলেও প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। এ পরিস্থিতিতে মানুষের মনে ক্ষোভ বাড়ছে, এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে।
এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হোসেন আলী জানান, হামলার ওই ঘটনায় আহত বাবুব বাবা হাফিজার রহমান বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।