সুদানের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ১৮০টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশগুলো দেশটির চলমান যুদ্ধের কেন্দ্রস্থল রাজধানী খার্তুম ও দারফুর অঞ্চল থেকে উদ্ধার করা হয়। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।
উদ্ধারের পর লাশগুলোকে দাফন করেছে স্বেচ্ছাসেবীরা। শুক্রবার (২জুন) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রেড ক্রিসেন্ট।
বিবৃতিতে রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাতে অজ্ঞাতপরিচয় ১৮০টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০২টি লাশ রাজধানী খার্তুমের আল শেগিলাব কবরস্থানে ও ৭৮টি লাশ দারফুরের কবরস্থানে দাফন করেছে স্বেচ্ছাসেবীরা।
রেড ক্রিসেন্ট আরও জানিয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্রে এমন আরও বহু অজ্ঞাতপরিচয় লাশ রয়েছে। তবে নিরাপত্তা সীমাবদ্ধতার কারণে স্বেচ্ছাসেবকদের পক্ষে লাশ উদ্ধার করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
সুদানে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল দেশের ক্ষমতা দখলের জন্য সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনীর মধ্যে হঠাতই সংঘাত শুরু হয়। সংঘাতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও কোনোটাই কার্যকর হয়নি।
এর আগে সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় সুদানের দুইপক্ষ ৭দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। কিন্তু এরপর তারা এই যুদ্ধবিরতি অবমাননা করে আবার সংঘাতে লিপ্ত হয়।
চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০-রও বেশি মানুষ মারা গেছে। এছাড়া সংঘাতের কারণে দেশটির ১৬ লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, জীবন বাঁচাতে দেশটির বাসিন্দারা মিশর, চাঁদ ও দক্ষিণ সুদানে আশ্রয় নিয়েছে।
প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল বুরহান ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের কমান্ডার মোহাম্মদ হামদান দাগালো উভয়ই বারবার বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও মানবিক করিডোর তৈরির প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন করেননি।