1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsiam4@gmail.com : Saimum Siam : Saimum Siam
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লজ্জা ঢাকতে নবজাতকের গলা কেটে ফেলা হয় পুকুরে, মা-বাবা আটক জামিনের পর জেলগেট থেকে ফের আটক আওয়ামী লীগ নেত্রী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী এমপিদের সন্তানদের স্থানীয় স্কুলে পড়ানো বাধ্যতামূলক করা উচিত: রুমিন ফারহানা গাজীপুরের এক পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা ক্বারী রুহেল আহমদ চৌধুরীর পরিবারের পাশে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বিয়ের ১১ বছর পর সন্তানের জন্ম, মৃত্যু হামে অবশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেন বিজয়, হচ্ছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের হাতে ট্যাব দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী শিশু অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় রিমান্ডে মাদ্রাসাশিক্ষক, এবার নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ-হত্যার হুমকি

গভর্নরের পারফরমেন্স দেখতে বিরোধী দলকে অপেক্ষা করতে বললেন অর্থমন্ত্রী

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ জন দেখেছেন

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পারফরমেন্স দেখার জন্য বিরোধী দলকে অপেক্ষা করতে বলেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিন বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ আহ্বান জানান তিনি। অধিবেশনের এ পর্যায়ে স্পিকারের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি স্পিকার সভাপতিত্ব করেন।

বিরোধিতার মধ্যেই পাস হওয়া ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন (সংশোধন) ২০২৬’ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের সমালোচনা করেন বিরোধী দলীয় নেতা। আপত্তির মধ্য দিয়ে বিলটি সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়। আর পরে এবং ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল ২০২৬’ বিলটিও পাস হয়।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন পাস হওয়ার পর বিরোধী দলীয় নেতার সমালোচার জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আসলে একটা বিল পাস হওয়ার পরে এ ধরনের আলোচনার কোনও সুযোগ ছিল না, এখানে সেটাও রুলস অব প্রসিডিউরের বাইরে যে তারা প্রশ্ন তুলেছেন আমাদের উত্তর দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশে বিগত সরকারগুলো যতবার সরকারে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, এক্সচেঞ্জ কমিশনের যতগুলো এপয়েন্টমেন্ট হয়েছে, সবগুলো নন-পলিটিক্যাল। আমি ক্লিয়ারলি বলতে চাই, বাংলাদেশে আর্থিক শৃঙ্খলা বিএনপি সরকারের সময় কোনও সমস্যা হয় নাই। সবসময় আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়েছে, কোনও সময় শেয়ার বাজার লুটপাট হয় নাই। কারণ বিএনপির এপয়েন্টমেন্টগুলো কোনও সময় পলিটিক্যাল কনসিডারেশননে হয় নাই। যোগ্য ব্যক্তিদের সেখানে দেওয়া হয়েছে সেই ধারা এই সরকার অব্যাহত রাখবে। দ্বিতীয় ধাপে বাংলাদেশ গভর্নর নিয়ে তিনি (বিরোধী দলীয় নেতা) কিছু প্রশ্ন করেছেন। বাংলাদেশ গভর্নর কোনও দলের ব্যক্তি নয়, সে একটা দলের সমর্থক হতেই পারেন। কিন্তু তার যদি যোগ্যতা থাকে তার অ্যাপয়েন্টমেন্টের অসুবিধাটা কোথায়?

অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনি (বিরোধী দলীয় নেতা) বলছেন, ‘প্রুফ অব দ্য পুডিং ইজ ইন দ্য ইটিং’, তাই আসুন আমরা অপেক্ষা করি এবং দেখি। তিনি তার পারফরম্যান্সের মাধ্যমে যদি দলীয় কোনও বিষয় বা প্রভাবের প্রমাণ দেন, তখন আপনি তা বলতে পারবেন। আর এখন পর্যন্ত আমরা তার যে পারফরম্যান্স দেখছি…। বিগত দিনে বিগত সরকারের সময় যখন গভর্নরের এইটা (বয়স) বাড়িয়েছে, সেই সময় আপনারা কোনও আপত্তি করেননি। গভর্নরের বয়স আমরা বাড়াইনি, এটা বিগত সরকার থেকে বাড়ানো হয়েছে। আমি একটা কথা অ্যাড করতে চাই, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, ফিনান্সিয়াল সেক্টরে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে দেওয়া হবে না। তিনি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, কোনও সরকার বাংলাদেশে সিদ্ধান্ত দেয় নাই। বিগত দিনের ইতিহাস নাই বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, ফিনান্সিয়াল সেক্টরে কোনও পলিটিক্যাল এপয়েন্টমেন্ট হবে না। আপনারা নিশ্চয় লক্ষ্য করবেন, আগামীতে ব্যাংকিং সেক্টরে বলেন, আর্থিক সেক্টরে বলেন, কোনও পলিটিক্যাল এপয়েন্টমেন্ট হবে কিনা?

বিরোধী দলীয় নেতার অভিযোগের পর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমার বক্তব্যে আমি পরিষ্কার করেছি, এই বিলগুলো কেন আনা হয়েছে। পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, এই বিলটা যখন ৯৩ তে হলো, সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন তখন গড় বয়স ছিল ৫৭ বছর। এখন গড় বয়স হচ্ছে ৭২ বছর। আপনি কি এই লোকগুলোকে কর্মকাণ্ডের বাইরে রাখতে চান? বাংলাদেশের এই নাগরিকগুলোকে, অভিজ্ঞ লোকগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ডের বাইরে রাখতে চান? কোথায় ৫৭ বছর এখন ৭২ বছর। এই ডিফারেন্সটার মধ্যে যারা আছে, তাদের আমরা বাইরে রাখতে পারবো না। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশে যেখানে সাকসেসফুলি এই সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন অপারেট করছে। তারা সফলভাবে এগুলো পরিচালনা করছে। যোগ্য ব্যক্তিদের কাজ করার ক্ষেত্রে সেটা (বয়সের সীমা) তো আমরা চাচ্ছি না। সেটা বিমার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য সেটা যেকোনও প্রতিষ্ঠানের প্রযোজ্য। বাংলাদেশের আগামীর অর্থনীতির যে নতুন প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হচ্ছে, এখানে যোগ্য দক্ষ ব্যক্তিকে যদি আপনি চান, আপনাকে এগুলোকে মাথায় রাখতে হবে। এখানে ইমোশনের কোনও সুযোগ নাই। এ প্রফেশনাল জব। ইকোনমিকে প্রফেশনালি চালাতে গেলে এই পরিবর্তন আনতে হবে বাংলাদেশে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )