প্রত্যেকে দায়িত্বশীল আচরণ করলে গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানি সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা সকলে বোঝেন যে, এটা অস্বাভাবিক চাহিদা! অস্বাভাবিক চাহিদা পূরণ করা আসলে একটি অসম্ভব ব্যাপার।’
‘প্রতিনিয়ত আমরা দেখছি হাজার হাজার লিটার তেল অবৈধ মজুতদারদের কাছে উদ্ধার হচ্ছে,’ যোগ করেন তিনি।
আজ শুক্রবার সকালে ইস্টার্ণ রিফাইনারী পরিদর্শনে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ফুয়েল পাসের পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু করেছি, আমাদের আরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। আমি ভীষণভাবে আশাবাদী, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই (জ্বালানির জন্য) লম্বা লাইন সংক্ষিপ্ত হবে।’
লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের পিক আওয়ার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়। গতকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় আমাদের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট। এই চাহিদার বিপরীতে আমাদের উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৮৪৬ মেগাওয়াট। অর্থাৎ লোডশেডিং ছিল ৪৮১ মেগাওয়াট। এই লোডশেডিং আমাদেরকে ডিস্ট্রিবিউট করতে হয়েছে। চট্টগ্রামে লোডশিডিং ছিল মাত্র ৩৫ মেগাওয়াট।’
এ সময় গণমাধ্যমকর্মীরা দাবি করেন, চট্টগ্রামে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনার তথ্য আপনার কাছে থাকুক, আমি অফিশিয়াল চ্যানেল থেকে তথ্য পেয়েছি। আপনার কাছে কী তথ্য আছে সেটা আপনার কাছে…আর যখন আমার চেয়ার থেকে কথা বলছি, আমার প্রতিটি অংক, প্রতিটি শব্দের পেছনে দায়িত্বশীলতা আছে। আপনি আপনারটা নিয়ে আরগু করতে পারেন, আই অ্যাম সরি ফর দ্যাট।’
সূত্র : দ্যা ডেইলি স্টার